স্টাফ রিপোর্টার: প্রতারণা মামলায় আদালত এক বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন। সেই রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপীল না করে বা অন্যকোনো ভাবে সাজা স্থগিত না করেই বহাল তবিয়তে চাকরি করছেন পুলিশের এক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই)। ২০২৪ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি রাজশাহীর যুগ্ম ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক আফাজ উদ্দিন পুলিশের এএসআই মোতালেব হোসেনকে প্রতারণা মামলার রায়ে এক বছরের কারাদণ্ড দেন। তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানাও জারি করা হয়। কিন্তু মোতালেব গ্রেফতার হননি, আদালতের রায়ও কার্যকর হয়নি।
এএসআই মোতালেব হোসেন এখন হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জে কর্মরত। তবে তিনি বলেন, বাদীর সঙ্গে আপোষ করে নিবো।
জানা গেছে, নগরীর মতিহার থানায় কর্মরত থাকা অবস্থায় মোহনপুর উপজেলার আয়নাল হকের সঙ্গে জমি কেনাবেচার ব্যবসায় জড়িত হন এএসআই মোতালেব। এরপর আয়নাল হকের কাছ থেকে সাত লাখ ৫০ হাজার টাকা নেন। সেই টাকা না দিয়ে মোতালেব তাকে একটি চেক দেন। চেকটি ২০২২ সালের ১৮ মে ব্যাংকে জমা করলে তা প্রত্যাখ্যাাত হয়। এরপর ওই বছরই আয়নাল হক আদালতে মামলা করেন। আদালতের কাছ থেকে এক মাসের সময় নিয়ে জামিন নেন এএসআই মোতালেব। কিন্তু টাকা পরিশোধ করেননি। এরপর আদালত ২০২৪ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি তার অনুপস্থিতিতে এক বছরের কারাদণ্ড ও সাত লাখ ৫০ হাজার টাকা পরিশোধের আদেশ দেন।
আয়নাল হক জানান, এএসআই মোতালেব শুধু তার নয়, এমন আরো অনেকের কাছ থেকে টাকা নিয়েছেন। এনিয়ে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে লিখিত অভিযোগও করা হয়েছে। এএসআই মোতালেব হোসেনর বাড়ি গাইবান্ধা জেলার গোবিন্দগঞ্জ থানার সমসপাড়া গ্রামে।
এব্যাপারে আদালতের রায়ের কপি পাঠিয়ে হবিগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার তারেক মাহমুদের বক্তব্য জানতে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি। ম্যাসেজ করলেও সাড়া দেননি।