স্টাফ রিপোর্টার : রাজশাহীর চারঘাটে প্রকশ্যে গুলি ছুড়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করে চারটি বাড়ীতে ব্যাপক ভাংচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় মুনশাদ আলী নামের একজন আহত হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল ৯টার দিকে উপজেলার ডাকরা বাজারের কাছে এ ঘটনা ঘটে। এ ব্যাপারে চারঘাট থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে।
স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, মঙ্গলবার সকাল ৯ টার দিকে হেলমেট পরে সংঘবদ্ধ ১৫/২০ জনের একটি দল পিস্তল নিয়ে গুলি ছুড়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করে। এসময় ডাকরা বাজারের কাছে উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আব্দুস সালামের আত্মীয় আসাদুল ইসলাম আশিকের বাড়িতে ব্যাপক ভাংচুর ও লুটপাট চালায় দুর্বৃত্তরা। এরপর পর্যায়ক্রমে সিহাব, আলাউদ্দিন বাবু, বুলবুল ও ঝন্টুর বাড়ীতেও ব্যাপক ভাংচুর চালানো হয়। এ সময় মুনশাদ আলী নামের একজন বাধা দিলে তার মাথায় আঘাত করা হয়। এতে তিনি গুরুতর আহন হন। তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
পরে তারা স্থানীয় এিনপির কার্যালয়ও ভাংচুর করে। স্থানীয়দের ভাষ্য- যখন দুর্বৃত্তরা গুলি ছুড়ছিলো তখন তখন এলাকাবাসী দাড়িয়ে তা দেখছিলো। তবে অস্ত্রের ভয়ে কেউএগিয়ে আসতে পারেনি। প্রায় আধাঘন্টা ধরে তান্ডব চালিয়ে গুলি করতে করতে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা বলে জানান স্থানীরা।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় কয়েকজন জানান, সোমবার এক কলেজ ছাত্রীকে ইভিটিজিং করছিল কয়েকজন যুবক। এ নিয়ে ডাকরা পুর্বপাড়া গ্রামের আফছার আলীর ছেলে মনোয়ার হোসেন রাজুর সঙ্গে বিরোধ সৃষ্টি হয়। সেই বিরোধকে কেন্দ্র করে মঙ্গলবার সকালে রাজু, মিঠুন ও সিহাবের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের কয়েকজন সমর্থক অস্ত্র হাতে আশিক, বাবু, ঝন্টু ও বুলবুলের বাড়ীতে হামলা চালিয়ে বাপক ভাংচুর ও নগদ সাড়ে ৪ লাখ টাকাসহ স্বর্ণলঙ্কার লুট করে নিয়ে যায়।
এ বিষয়ে মঙ্গলবার বিকেলে আহত মুনশাদের ছেলে সাবেক যুবদল নেতা সোহানুর রহমান বাদী হয়ে চারঘাট মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। চারঘাট মডেল থানার ওসি আফজাল হোসেন বলেন, সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছিলো। এখন পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে বলে জানান তিনি।