স্টাফ রিপোর্টার : রাজশাহীর দুর্গাপুরে পারিবারিক কলহের জের ধরে গত দুদিনে কীটনাশক পান করে নারী ও শিশুসহ ৮ জন আত্মহত্যার চেষ্টা চালিয়েছে। এদের মধ্যে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ২ নারীর মৃত্যু হয়েছে।
মারা যাওয়া দুই নারী হলেন, উপজেলার পাইকড়তলী গ্রামের ওয়াশিমের স্ত্রী জান্নাতুন (২৫) ও উপজেলার তেবিলা গ্রামের রন্টুর স্ত্রী তহমিনা (৩০)।
কীটনাশক পান করা অন্যান্যরা হলো, উপজেলার পানানগর গ্রামের ময়না বিবি (৪৫), বেড়া গ্রামের রেজাউলের শিশু সন্তান তানজিমুল (৩), কানপাড়া গ্রামের বিথি (৩০), দেবীপুর গ্রামের মহনা (১৮), পানানগর গ্রামের আব্দুস সাত্তার (৪৫), কাশেমপুর গ্রামের ইরিন খাতুন (২০) ও সায়বাড় গ্রামের হাবিবা খাতুন (১৫)।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে, গত শুক্রবার ও শনিবার উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম থেকে কীটনাশক পান করা রোগী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়। কয়েকজন রোগীর অবস্থা আশংকাজনক হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদেরকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। এদের মধ্যে শনিবার দুই নারীর রামেক হাসপাতালে মৃত্যু হয়।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসক (আরএমও) ডা. মেহেদী হাসান জানান, কীটনাশক পান করে ২৪ ঘন্টায় ৮ জন রোগী ভর্তি হয়েছে। এদের মধ্যে ৫ জনের অবস্থা আশংকাজনক হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদের রামেক হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। অপর ৩ জনকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে তারা সুস্থ আছে।
জেলার দুর্গাপুর থানার উপ-পরিদর্শক ইব্রাহীম আলী জানান, কীটনাশক পানে আত্নহত্যার চেষ্টা ও মৃত্যুর ঘটনায় থানায় দুইটি অপমৃত্যু (ইউডি) মামলা দায়ের হয়েছে।