১ কার্তিক, ১৪৩৩
১৭ অক্টোবর, ২০২৬

মালয়েশিয়ায় কোরআন প্রতিযোগিতায় প্রথম বাংলাদেশের ইহতেশাম

Admin Published: October 11, 2026, 1:57 pm
মালয়েশিয়ায় কোরআন প্রতিযোগিতায় প্রথম বাংলাদেশের ইহতেশাম

ডিএনএন ডেস্ক: মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে অনুষ্ঠিত ৬৬তম আন্তর্জাতিক মর্যাদাপূর্ণ কোরআন প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অর্জন করে বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের লাল-সবুজের পতাকাকে আবারও উঁচুতে তুলে ধরেছে কৃতী শিক্ষার্থী হাফেজ ইহতেশামুল হক হিরা। তিনি ঢাকার মিরপুর-১-এ অবস্থিত খ্যাতনামা ইসলামি বিদ্যাপীঠ মারকাযু ফয়জিল কোরআন আল ইসলামী-র ছাত্র।


বিশ্বের শতাধিক দেশের হাফেজদের মধ্য থেকে কয়েক ধাপের কঠিন বাছাই প্রক্রিয়া শেষে চূড়ান্ত পর্বে স্থান করে নেন ৩৮টি দেশের প্রতিযোগী। হিফজুল কোরআন বিভাগে তাঁদের সবাইকে পেছনে ফেলে প্রথম হওয়ার গৌরব অর্জন করেন হিরা। 


৬ অক্টোবর মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের উদ্বোধনের মাধ্যমে এই বৈশ্বিক প্রতিযোগিতার যাত্রা শুরু হয়েছিল। টানা পাঁচ দিনের তীব্র প্রতিযোগিতা শেষে ১০ অক্টোবর (শনিবার) এক বর্ণাঢ্য সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। দেশটির শীর্ষস্থানীয় রাষ্ট্রীয় দায়িত্বশীল ও বিশিষ্ট ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে হিরার হাতে পুরস্কার তুলে দেন ধর্মবিষয়ক মন্ত্রী ড. জুলকিফলি হাসান।


প্রথম স্থান অর্জনের স্বীকৃতি হিসেবে হাফেজ ইহতেশামুল হক হিরাকে নগদ ৪০ হাজার মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত, একটি সম্মাননা ট্রফি, ৫ হাজার রিঙ্গিত মূল্যের ওমরাহ/মুসলিম টুরিজম প্যাকেজ এবং ৩ হাজার রিঙ্গিত সমমূল্যের একটি স্বর্ণের বার প্রদান করা হয়। 

আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতার মঞ্চে ‘মারকাযু ফয়জিল কোরআন আল ইসলামী’-র শিক্ষার্থীদের এমন সাফল্য এবারই প্রথম নয়। এর আগেও প্রতিষ্ঠানটির কৃতী শিক্ষার্থী হাফেজ সালেহ আহমদ তাকরিম, মুয়াজ মাহমুদ, আনাস মাহফুজ ও সাদ নুরসহ অনেকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অনুষ্ঠিত মর্যাদাপূর্ণ প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অর্জনসহ অসাধারণ সাফল্যের স্বাক্ষর রেখেছেন। ২০ বছরের প্রচেষ্টায় হাফেজ হলেন ৭০ বছরের নারী২০ বছরের প্রচেষ্টায় হাফেজ হলেন ৭০ বছরের নারী 


২০১৪ সালে প্রতিষ্ঠিত এই মাদ্রাসাটি অত্যন্ত অল্প সময়ের মধ্যে দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় দ্বীনি বিদ্যাপীঠে পরিণত হয়েছে। বিশেষ করে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ইরান, তুরস্ক ও কুয়েতে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অধিকারের পাশাপাশি কওমি মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের কেন্দ্রীয় পরীক্ষায় অভাবনীয় ফলাফল অর্জন করে প্রতিষ্ঠানটি বহুল প্রশংসিত হয়েছে।