১ কার্তিক, ১৪৩৩
১৬ অক্টোবর, ২০২৬

পবায় খাল খনন প্রকল্পের অব্যয়িত ১ কোটি ৮০ লাখ টাকা ফেরত

Admin Published: August 12, 2026, 6:16 pm
পবায় খাল খনন প্রকল্পের অব্যয়িত ১ কোটি ৮০ লাখ টাকা ফেরত

স্টাফ রিপোর্টার: রাজশাহীর পবা উপজেলায় একটি খাল পুনঃখনন প্রকল্পের কাজ পুরোপুরি শেষ না হওয়ায় অব্যয়িত ১ কোটি ৮০ লাখ টাকারও বেশি অর্থ সরকারি কোষাগারে ফেরত দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। কাজের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে এবং সরকারি অর্থের অপচয় রোধে বুধবার এই প্রশংসনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়।উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয় পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়নের লক্ষ্যে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে উপজেলার পারিলা ইউনিয়নে ‘বৈরাগীর খাল’ পুনঃখননের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। জলিলের ভাটা থেকে ফলিয়ার বিল পর্যন্ত ৩ দশমিক ৩ কিলোমিটার দীর্ঘ এই খালের খননকাজের জন্য মোট বরাদ্দ ছিল ২ কোটি ৫৮ লাখ ১২ হাজার ৭৭৬ টাকা।

তবে, চলমান বর্ষা মৌসুমে অতিবৃষ্টির কারণে খালে অতিরিক্ত পানি জমে যায়। ফলে প্রায় এক কিলোমিটার (যা মোট কাজের ৩৫ শতাংশ) সম্পন্ন হওয়ার পর বাধ্য হয়ে খননকাজ স্থগিত রাখে প্রশাসন। কাজ অসম্পূর্ণ থাকায় নিয়মানুযায়ী বেঁচে যাওয়া অর্থ ফেরত দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

পবা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. ইবনুল আবেদীন বলেন, ‘সরকারি প্রকল্পের প্রতিটি টাকা জনগণের টাকা। তাই এর যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করা আমাদের দায়িত্ব। বৃষ্টির কারণে যে কাজ করা সম্ভব হয়নি, সেই কাজের জন্য বরাদ্দ করা অর্থ ব্যয় করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।’

সরকারি অর্থের অপচয় রোধ ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতেই অব্যয়িত অর্থ ফেরত দেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, ‘সরকারি অর্থ সঠিকভাবে ব্যবহারের ক্ষেত্রে প্রশাসনের এই উদ্যোগ একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।’

এদিকে, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. মাহমুদুল ইসলাম কাজের অগ্রগতি ও খরচের হিসাব নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, অতিবৃষ্টির কারণে প্রকল্পের ৩৫ শতাংশ কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব হয়েছে। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী ঠিক যতটুকু কাজ হয়েছে, ততটুকু অর্থই ব্যয় হিসেবে দেখানো হয়েছে। অবশিষ্ট ১ কোটি ৮০ লাখ ২৪ হাজার ৭৮৯ টাকা নির্ধারিত সমস্ত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে ইতোমধ্যে সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে।