৩ কার্তিক, ১৪৩৩
১৮ অক্টোবর, ২০২৬

রাজশাহীর সর্বত্র মহান বিজয় দিবস উদযাপন

Admin Published: December 17, 2025, 3:41 am
রাজশাহীর সর্বত্র মহান  বিজয় দিবস উদযাপন

স্টাফ রিপোর্টার : যথাযোগ্য মর্যাদা ও উৎসব মুখর পরিবেশে রাজশাহীর সর্বত্র মহান বিজয় দিবস উদযাপিত উদযাপিত হয়েছে। মঙ্গলবার সূর্যোদয়ের সাথে সাথে সকল সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান ও বেসরকারি ভবনসমূহে জাতীয় পতাকা উত্তোলন এবং জেলা পুলিশ লাইন্সে ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে দিবসটির কার্যক্রম শুরু হয়। সকাল ৬ টা ৪২ মিনিটে কালেক্টরেট চত্বর শহিদ স্মৃতিস্তম্ভে বিভাগীয় কমিশনার ড. আ.ন.ম. বজলুর রশীদ, রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি মোহাম্মদ শাহজাহান, রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার ড. মো. জিল্লুর রহমান, জেলা প্রশাসক আফিয়া আখতার, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নাঈমুল হাছান, বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ের বিভিন্ন সরকারি, বেসরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত দপ্তর ও সংস্থা প্রধান, রাজনীতিবিদ, ব্যবসায়ী, সাংবাদিক, বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ পুষ্পস্তবক অর্পণ করে মহান মুক্তিযুদ্ধের শহিদদের গভীর শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন।  

মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে সকাল ৯ টায় নগরীর মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি স্টেডিয়ামে কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হয়। বিভাগীয় কমিশনার ড. আ.ন.ম. বজলুর রশীদ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন। 

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় বিভাগীয় কমিশনার বলেন, ১৬ ডিসেম্বর বাঙালি জাতির আত্মপরিচয় অর্জনের দিন, পরাধীনতার শৃঙ্খল ভাঙার দিন। তিনি মহান মুক্তিযুদ্ধে স্বজনহারা প্রতিটি পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। 

জেলা প্রশাসক আফিয়া আখতারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি মোহাম্মদ শাহজাহান, আরএমপি কমিশনার ড. মো. জিল্লুর রহমান এবং পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নাঈমুল হাছান বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ের বিভিন্ন সরকারি, বেসরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত দপ্তর ও সংস্থার প্রধান, বীরমুক্তিযোদ্ধা, রাজনীতিক, ব্যবসায়ী, সাংবাদিক, বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন। 

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের পরিবেশনায় ডিসপ্লে প্রদর্শন করা হয়। পরে বেলা এগারোটায় রাজশাহী জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে জেলা পর্যায়ে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানে সংবর্ধনা দেয়া হয়। সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বীরমুক্তিযোদ্ধা এবং শহিদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্যদের হাতে ফুল ও উপহার সামগ্রী তুলে দেওয়া হয়। সংবর্ধনা শেষে একই স্থানে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়।

এছাড়া রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, রুয়েট, রামেবি, রাজশাহী কলেজসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে দিবসটি পালন করা হয়। জেলার উপজেলা পর্যায়ে উপজেলা প্রশাসনের পাশাপাশি রাজনৈতিক ও সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন নানা আনুষ্ঠানিকতায় দিবসটি পালন করে।