৪ কার্তিক, ১৪৩৩
১৯ অক্টোবর, ২০২৬

শেষমুহুর্তের কেনাকাটায় জমজমাট রাজশাহীর পশুহাট

Admin Published: June 4, 2025, 11:23 pm
শেষমুহুর্তের কেনাকাটায় জমজমাট  রাজশাহীর পশুহাট

স্টাফ রিপোর্টার : শুরু থেকে এবার কেনাবেচায় কমতি থাকলেও শেষ সময়ে এসে জমে উঠেছে রাজশাহীতে কোরবানীর পশুহাট। রাজশাহীর বিভিন্ন হাটে এখন জমজমাট বেচাকেনা। জেলার সিটি বাইপাশ হাট বসছে এখন প্রতিদিন। এর বাইরে পুঠিয়ার বানেশ্বর, পবার কাটাখালি, বাঘা, চারঘাট, গোদাগাড়ী, মোহনপুর, দুর্গাপুর ও তানোরে হাটের দিনগুলোতে কোরবানির পশু ও মানুষের মিশেলে এখন একাকার অবস্থা।

বুধবার রাজশাহীর সিটিহাটে গিয়ে দেখা যায়, গরু-মানুষে একাকার অবস্থা। বিক্রেতারা বলছে, দেদারসে কেনাবেচা শুরু হয়ে গেছে। তবে চাহিদামতো দাম পাচ্ছেন না বলে দাবি করছেন তারা। তবে ক্রেতারা বলছেন হাটে হাটে পর্যাপ্ত গরু থাকলেও দাম অনেক বেশী। অনেকেই বাজেট ফেল করছেন। হিসেব করে হাটে টাকা নিয়ে এসে গরু কেনার পর বাড়তি টাকা যোগ করতে হচ্ছে।  

আর খামারীরা বলছেন, এবার গো-খাদ্যের উচ্চমূল্যের কারণে গরু-মহিষ পালনকারী খামারিরা আশা করেছিলে ৩০ হাজার টাকার ওপরে প্রতি মণ হিসেবে গরু বিক্রি হবে। তবে এবার শুরু থেকেই ৩০ হাজার বা তার নিচেই মণ হিসেবে অনুমাণ করে গরু-মহিষ কেনাবেচা হচ্ছে। তাদের দাবি শেষদিকে এসে দাম আরও কিছুটা কমেছে। 

বুধবার রাজশাহীর সিটিহাটে আনুমানিক ৫ মণ মাংসের গরু বেচাকেনা হয়েছে ১ লাখ ৪০ থেকে ৪৫ হাজার টাকার মধ্যে। তবে ছোট আকারের গরুগুলো গড়ে ২৯-৩০ হাজার টাকা মণ হিসেবেই বিক্রি হয়েছে। 

সরেজমিন সিটিহাটে গিয়ে দেখা যায়, হাটে প্রচুর গরুর আমদানীও। ক্রেতার আধিক্যও রয়েছে। এ হাটে বড় আকৃতির ফ্রিজিয়ান, সাহিওয়াল, দেশি শাহিওয়াল জাতের গরু বিক্রির জন্য আনা হয়েছে। তবে বরাবরের মতো দেশি গরুর চাহিদা বেশি হলেও অনেকে বড় গরুর দিকেও ঝুঁকতে দেখা যায়।

রাজশাহীর তানোরের গরু বিক্রেতা সোহেল হোসেন বলেন, এবার গরু পালনের খরচ বেড়েছে। কিন্তু দাম গতবারের মতোই আছে। এ কারণে লাভ তেমন হচ্ছে না। কোনো ক্ষেত্রে লোকসানও হচ্ছে। তিনি জানান, যারা বছর ধরে গরু পালন করেছেন, তাদের লাভ হওয়ার চেয়ে লোকসান হওয়ার শঙ্কা রয়েছে। ক্রেতারা দাম নিয়ে হতাশার কথা বললেও বিক্রেতারা দাম পাচ্ছেন না বলে জানান। জেলার বাঘার পাকুড়িয়া এলাকার গরু বিক্রেতা জানা, গরুর বাজার ভালো না। এবার লাভ হবে না তেমন। 

রাজশাহী সিটি হাটের ইজারাদার আমিনুল ইসলাম বলেন, এবার গরুর হাটে স্বাস্থ্যবিধি মেনে বেচাকেনার পরিবেশ তৈরি করেছি। মানুষ নিরাপদে কেনাবেচা করছেন।