স্টাফ রিপোর্টার: সোমবার তানোর উপজেলা পরিষদ চত্বরে এ্যাসোসিয়েশন ফর কম্যুনিটি ডেভেলপমেন্ট-এসিডি’র আয়োজনে এবং অক্স্রফাম ইন বাংলাদেশ’র সহযোগিতায় কালটিভেটিং চেঞ্জ শীর্ষক প্রকল্পের "স্থানীয় পর্যায়ে জলবায়ু অভিযোজন ও অর্থায়ন বিষয়ক তথ্য মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় সচেতনতা বৃদ্ধি, অর্থায়নের সুযোগ উন্মুক্তকরণ এবং স্থানীয় সম্প্রদায়কে জলবায়ু অভিযোজন কৌশল সম্পর্কে অবহিত করাই ছিল মেলার মূল লক্ষ্য।
তানোর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) লিয়াকত সালমান প্রধান অতিথি হিসেবে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন ও বক্তব্য রাখেন। এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাসতুরা আমিনা, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. বার্নাবাস হাসদা, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. সাইফুল্লাহ আহম্মদ, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহা. বাবুল হোসেন, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মোহাম্মদ হোসেন খান, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা মোছা. হাবিবা খাতুন। এছাড়াও বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার প্রতিনিধি, স্থানীয় কৃষক, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা, যুব সমাজ, এনজিও কর্মী ও জলবায়ু গবেষকরা অংশ নেন। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন এসিডি প্রকল্প সমন্বয়কারী সুব্রত কুমার পাল ও প্রকল্প টীম।
জলবায়ু সহনশীলতা কৌশল ও অর্থায়ন নিয়ে বিশেষজ্ঞদের আলোচনা, সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রদর্শনী ও স্টল, অর্থায়ন সংস্থার সাথে স্থানীয় সম্প্রদায়েরর সংযোগ স্থাপনসহ বিভিন্ন বিষয় গুরুত্বের সাথে মেলায় তুলে ধরার কথা জানান আয়োজকবৃন্দ।
প্রধান অতিথি ও মেলার উদ্ভোধক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) লিয়াকত সালমান বলেন, কমিউনিটি পর্যায়ে নারীর উপর জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলায় এবং স্থানীয় স্তরে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় নারীদের ভূমিকা নিয়ে আলোকপাত করেন ।
মেলায় ৮টি স্টল প্রদর্শনীর মাধ্যমে জলবায়ু অভিযোজন ও অর্থায়ন সংশ্লিষ্ট তথ্য তুলে ধরেন পাশাপাশি আদিবাসী নারী কৃষকবৃন্দ জৈব সারসহ জলবায়ু সহনশীল পণ্য উৎপাদনের বিভিন্ন দ্রব্যাদি স্টলে উপস্থাপন করেন। মেলার উদ্বোধনী পর্ব শেষে ইপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, সরকারি দপ্তরের প্রতিনিধি, এনজিও ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারা মেলায় স্থাপিত বিভিন্ন স্টল ঘুরে দেখেন। বিশেষভাবে জলবায়ু অভিযোজন ও টেকসই কৃষি চর্চার উপর গুরুত্বারোপ করা হয়। এ ধরনের উদ্যোগ ভবিষ্যতে স্থানীয় জনগণের জলবায়ুু সহনশীলতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আয়োজকেরা আশা প্রকাশ করেন।