স্টাফ রিপোর্টার : রাজশাহীর বাঘায় একটি গ্রামীণ সড়ক এখন দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাড়িয়েছে এলাকাবাসীর কাছে। বৃহস্পতিবার উপজেলার চকরাজাপুর এলাকায় গিয়ে দেখা যায় এমন সড়কে স্থানীয়দের চলাচলের দুর্ভোগ। স্থানীয়রা জানান, সামান্য বৃষ্টি হলেই কাদাপানিতে একাকার হয়ে যায় সড়কটি। তখন আর চলাচলের উপায় থাকে না।
জানা গেছে, উপজেলার খায়েরহাট হালিম মাস্টারের বাড়িসংলগ্ন পদ্মা নদীর ক্যানেলের উপর খেয়াঘাট নৌকায় পার হয়ে এক কিলোমিটার কাচা সড়কের অবস্থান। এ সড়ক বেয়ে চকরাজাপুর পাকা সড়কে উঠতে হয়। এই সড়ক পার হতে গিয়ে অনেক দুর্ভোগে পড়তে হচ্ছে। এ সড়কে পদ্মা সংলগ্ন মধ্যে চকরাজাপুর, কালীদাসখালী, লক্ষ্মীনগর, দাদপুর, উদপুর, পলাশী ফতেপুর, নিচ ফতেপুর পলাশীসহ আটটি চরের ২০ হাজার মানুষ চলাচল করেন। একটু বৃষ্টি হলেই কাদায় পরিণত হয়। আটটি চরের মানুষ কয়েকবার সড়কটি পাকাকরণের জন্য বিভিন্নস্থানে আবেদন করেও কোন সুরাহ হয়নি। ফলে তাদের কাদার মধ্যেই চলাচল করতে হয়। এই রাস্তাটি পাকাকরণের দাবি জানিয়েছেন চরবাসি।
কালিদাসকালী চরের অটোচালক মোহাম্মদ আবু আলী বলেন, একটু বৃষ্টি হলে এই সড়ক দিয়ে যাওয়া যায় না। সামান্য বৃষ্টি হলে কাদায় সড়ক একাকার হওয়ায় তখন আর অটো বের করা যায় না। অটো না চালালে সংসারও চলে না। বাধ্য হয়েই অটো বের করে বিপাকে পড়তে হয়। সারাদিন রাস্তায় অটো চালিয়ে সন্ধ্যায় বাড়ি ফিরতে হলে এই কাদা পার হতে অন্যের সহযোগিতা ছাড়া যাওয়া যায় না।
স্থানীয় এক কৃষক আজগর আলী শেখ বলেন, মাঠে আমার জমি আছে। এই জমির আবাদ বাড়িতে আনতে গেলে কাদার মধ্যে দিয়ে চলাচল করতে হয়। কোন কোন সময় ভ্যানে আনতে হলে এই সামান্য রাস্তার জন্য অতিরিক্ত ভাড়া দিতে হয়। এই সড়কের জন্য অনেক কষ্টে আছি।
এ বিষয়ে চকরাজাপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বাবলু দেওয়ান বলেন, সড়কটির বিষয়ে আমি নিজেও কয়েকবার বিভিন্নস্থানে আবেদন করেছি। কিন্তু কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। তাই বৃষ্টি হলেই এলাকার মানুষকে দুভোগের মধ্যে পড়তে হয়। যোগাযোগ করা হলে উপজেলা প্রকৌশলী বেলাল হোসেন বলেন, সড়কটির বিষয়ে অবগত রয়েছি। বরাদ্ধ সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।