বৃহস্পতিবার (৮ আগস্ট)) দুপুরে দেশে ফেরার পর সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এ কথা বলেন।
বিমানবন্দরে তাকে স্বাগত জানান তিন বাহিনীর প্রধান, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়কবৃন্দ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুলসহ অন্যরা।
ড. ইউনূস অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে আজ রাতে শপথ নেবেন।
তিনি সাংবাদিকদের বলেন, আজকে আমার আবু সাঈদের কথা মনে পড়ছে। যে আবু সাঈদের কথা দেশের প্রতিটি মানুষের মনে গেঁথে আছে। আজ আমাদের গৌরবের দিন। যে বিপ্লবের মাধ্যমে বাংলাদেশ আজকে নতুন দিনের সৃষ্টি করলো। সেটাকে সামনে রেখে আরও মজবুত করে আমাদের সামনে এগিয়ে যেতে হবে।
এসময় সহিংসতা থেকে বিরত থাকতে সবার প্রতি আহ্বান জানান ড. ইউনূস। তিনি বলেন, যদি আমার ওপর আস্থা রাখেন, তবে আমার এ আহ্বান শুনুন। শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখুন।
তরুণদের প্রশংসা করে তিনি বলেন, যে তরুণ সমাজ এটা সম্ভব করেছে তাদের প্রতি আমার সমস্ত প্রশংসা এবং কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। এরা এই দেশকে রক্ষা করেছে। এ দেশকে নতুনভাবে পুনর্জন্ম দিয়েছে। এই পুনর্জন্মে যে বাংলাদেশ পেলাম, সে বাংলাদেশ জন্য অত্যন্ত দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলতে পারে, এটি হলো আমাদের শপথ। এটা আমারও রক্ষা করতে চাই। এগিয়ে যেতে চাই।
গত ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়করা অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে ড. ইউনূসের নাম প্রস্তাব করে। শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলাপসাপেক্ষে তিনি এতে সায় দেন।
সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান জানিয়েছেন, ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারে ১৫ জন উপদেষ্টা থাকতে পারেন। তবে তাদের নাম এখন পর্যন্ত জানা যায়নি।