স্টাফ রিপোর্টার : যে বরেন্দ্র অঞ্চল এক সময় মরুভূমি ছিলো, বছরে একবার ফসল ফলানোই ছিলো কস্টসাধ্য- সেই বরেন্দ্রের এক জমিতেই এখন বছরে তিনবার ফসল হচ্ছে। কোথাও কোথাও চারবারও ফসল হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিএমডিএ) নির্বাহী পরিচালক তরিকুল আলম। তিনি বলেন, বরেন্দ্র অঞ্চলকে কৃষি ভান্ডারে পরিনত করা সম্ভব হয়েছে বিএমডিএ‘র সেচের কারনে।
বুধবার রাজশাহীতে আয়োজিত তারুণ্যের উৎসব আয়োজনে সেচের পানি অপর্যাপ্ততা এলাকায় শস্য বিন্যাসের মাধ্যমে পানি সাশ্রয় উদ্বুদ্ধকরণ প্রশিক্ষণ কর্মশালায় তিনি এসব কথা বলেন। বিএমডিএ গোদাগাড়ী জোন-১ এর আয়োজনে সরমংলা ইকোপার্কে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। এতে ৫০জন তরুণ অংশগ্রহণ করেন।
প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তরিকুল আলম বলেন, তরুনদের আগামী দিনের কৃষিতে হাল ধরতে হবে। শুধু কৃষিতে না দেশ গড়ার কাজও আপনাদেরকে (তরুনদের) এগিয়ে আসতে হবে। তিনি বলেন, বিএমডিএ নিরলসভাবে এই অঞ্চলের মানুষের জন্য কাজ করে যাচ্ছে। সেজন্য এত পরিবর্তন সম্ভব হয়েছে। মাঠ পর্যায়ে কর্মকর্তারা সবসময় কৃষকের পাশে থেকে কাজ করে চলেছে। ফলে আজ বাংলাদেশ খাদ্যের স্বয়ংসম্পূর্ণ অর্জন করেছে। তাই আগামী দিনে এই কৃষিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হলে তারুণ্যের বিকল্প আর কিছু নাই।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (গবেষণা ও প্রশিক্ষণ) জিন্নুরাইন খান, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মোমেনুল ইসলাম, সহকারী প্রকৌশলী (গবেষণা ইউনিট কার্ব) মেহেদী হাসান ও সহকারী প্রকৌশলী আব্দুল লতিফ সরকার। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন বিএমডিএ রাজশাহী রিজিয়নের নির্বাহী প্রকৌশলী মোস্তাফিজুর রহমান।