রাবি সংবাদদাতা : কুমিল্লার মুরাদনগরে ঘরের দরজা ভেঙে সনাতন ধর্মাবলম্বী এক নারীকে হেনস্তার প্রতিবাদে এবং জড়িতদের সর্বো”চ শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের গণতান্ত্রিক ছাত্রজোট। রবিবার (২৯ জুন) দুপুর সাড়ে ১২ টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন মার্কেটের সামনে থেকে মিছিলটি বের হয়। পরে ক্যাম্পাসের প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিফলক চত্বরে এসে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে মিলিত হয়।
বিক্ষোভ মিছিলে আন্দোলনকারীরা ‘বাহ ইউনুস চমৎকার, ধর্ষকদের পাহারাদার’ স্লোগান ব্যবহার করেন।
সমাবেশে বিশ্ববিদ্যালয় সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের আহ্বায় ফুয়াদ রাতুলের সঞ্চালনায় বক্তব্য দেন ছাত্র ইউনিয়ন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় সংসদের কোষাধ্যক্ষ কাউসার আহমেদ, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিপ্লবী ছাত্র যুব আন্দোলনের সংগঠক তারেক আশরাফ প্রমুখ।
কাউসার আহমেদ বলেন, ‘কুমিল্লার ঘটনায় আমরা তীব্র নিন্দা জানায়। এই দেশের অন্তবর্তী সরকার নিজেদের বিপ্লবী সরকার হিসেবে মনে করে। কিš‘ তারা গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে এসে এই দেশের মানুষের আশা আকাঙ্ক্ষা পূরণে ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে। আওয়ামী আমলেও যেমন এদেশে খুন, হত্যা, ধর্ষনের বিচারহীনতার সংস্কৃতি ছিল। সেই সংস্কৃতি এখনও বহমান রয়েছে। আমরা অবিলম্বে কুমিল্লার ধর্ষন ও সেই ঘটনার ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং অন্তবর্তী সরকারের স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার পদত্যাগ দাবি করছি।’
বিপ্লবী ছাত্র যুব আন্দোলন রাবির সংগঠক তারেক আশরাফ বলেন, ‘ধর্ষক তৈরি হয় একমাত্র ক্ষমতার লেজুড়বৃত্তি নিয়ে। একজন সাধারণ মানুষ কখনো ধর্ষক হয়ে উঠতে পারে না। এই রাষ্ট্রের যে ক্ষমতা কাঠামো, এটাই মানুষকে ধর্ষক তৈরি করে। অভ্যুত্থানের পরেও এই রাষ্ট্রের কোনো আমুল পরিবর্তন ঘটেনি। যে ধরনের চেতনাগত পরিবর্তন হওয়ার দরকার ছিল তা হয়নি। ফলস্বরূপ আমরা গুটিকয়েক মানুষ কুমিল্লার ধর্ষনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানা”িছ, কোনো রাজনৈতিক সংগঠন এখন প্রতিবাদে নামেনি। অর্থাৎ তাদের শ্রেনিগত চরিত্রে ধর্ষক তৈরিতে বাধা দেওয়ার কোনো চিন্তা নেই।’