স্টাফ রিপোর্টার : রাজশাহীর তানোর-গোদাগাড়ীসহ বরেন্দ্র অঞ্চলের মানুষের ভাগ্যোন্নয়নে কাজ করতে চান এ অঞ্চলের কৃতি সন্তান বিএনপি নেতা প্রকৌশলী কে এম জুয়েল। দুই উপজেলার মানুষের প্রিয়মুখ তিনি। ইতিমধ্যে দুই উপজেলায় দলীয় কার্যক্রমে আলোচনায় এসেছেন তিনি। আসছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজশাহী-১ (তানোর-গোদাগাড়ী) আসনে বিএনপির মনোনয়ন চান তিনি।
জেলার তানোর ও গোদাগাড়ীর মানুষের কাছে পরিচিত তিনি। তিনি রাজশাহী মহানগর বিএনপির সাবেক বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক।
শনিবার কথা হয় প্রকৌশলী কেএম জুয়েলের সঙ্গে। তিনি বলেন, তার স্বপ্ন মানুষের পাশে থেকে মানুষের কল্যাণ করা। বিশেষ করে রাজশাহীর বরেন্দ্র অঞ্চল হিসেবে পরিচিত তানোর গোদাগাড়ীর মানুষের ভাগ্যো উন্নয়ন করতে চান। এ এলাকার মানুষের আর্থ সামাজিক উন্নয়নের পাশাপাশি কৃষি নির্ভর এলাকা হিসেবে দুই উপজেলার কৃষিতে আধুনিকায়ণ ও শিক্ষার বিস্তার ঘটাতে চান। এ কারণে আগামী নির্বাচনে তিনি দলের মনোনয়ন প্রত্যাশী। তার আশা দল তাকে মনোনয়ন দিলে যোগ্য নেতৃত্বের মাধ্যমে এ অঞ্চলে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শের রাজনীতি বিকশিত করবেন। এর আগে তিনি ১৯৯৬ ও ২০০৮ সালে মনোনয়ন চেয়ে আলোচনায় ছিলেন। এবারও তিনি মাঠে নেমেছেন। দুই উপজেলার মানুষের সাড়াও পাচ্ছেন তিনি।
রাজশাহীর গোদাগাড়ীর বাসিন্দা কে এম জুয়েল বলেন, ২০০৮ সালের নির্বাচনের আগে আমার বিরুদ্ধে সাতটি রাজনৈতিক হয়রানিমূলক মামলা দায়ের করা হয়েছিল, যার মধ্যে দুইটি মামলায় সাবেক মন্ত্রী ব্যারিস্টার আমিনুল হকের সঙ্গে আমি আসামি ছিলাম। এসব মামলায় আমি হয়রানির শিকার হয়েছি এবং কারাভোগ করেছি।
দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে তাঁর নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে বলে দাবি করে জুয়েল বলেন, আমি দীর্ঘদিন মাঠে কাজ করেছি, এখনো মাঠে সক্রিয় রয়েছি। শহীদ জিয়াউর রহমানের আদর্শ অনুসরণ করে, আপসহীন দেশ নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও তারুণ্যের অহঙ্কার বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দিকনির্দেশনায় আমি রাজনীতিতে সক্রিয়। রাজশাহী-১ আসনের উন্নয়ন ও জনগণের কল্যাণে কাজ করতে চাই। তাই এবারও এ আসন থেকে ধানের শীষের মনোনয়ন প্রত্যাশী।
কে এম জুয়েল বলেন, দল এবার পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির স্বচ্চ প্রার্থী চাইছে। মূলত সেটি তুণমূলের চাওয়া। যারা দীর্ঘদিন এলাকায় আসেননি বা দলের কার্যক্রমে অংশ নেননি, তাঁদের প্রার্থী করা হলে তৃণমূল ক্ষুব্ধ হবে। দলের দুর্দিনে যারা মাঠে ছিলেন, তারাই যেন মনোনয়ন পান এটা তৃণমূলের প্রত্যাশা।