৯ ভাদ্র, ১৪৩৩
২৪ আগস্ট, ২০২৬

নগরীকে সবুজে আচ্ছাদিত করতে রাসিকের উদ্যোগ

Admin Published: November 19, 2024, 5:53 pm
নগরীকে সবুজে আচ্ছাদিত  করতে রাসিকের উদ্যোগ

স্টাফ রিপোর্টার : রাজশাহী নগরীকে সবুজে আচ্ছাদিত করতে নানা উদ্যোগ গ্রহণ করেছে রাজশাহী সিটি করপোরেশন (রাসিক)। জীবের অস্তিত্ব, পরিবেশের ভারসাম্য ও নগরীর সৌন্দর্য্য রক্ষায় নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়কসমূহে বিভিন্ন প্রজাতির শোভাবর্ধক গাছের চারা রোপণ শুরু হয়েছে। আর বৃক্ষরোপণের সাথে সাথে এগুলোর পরিচর্যায় রয়েছেন সিটি কর্পোরেশনের বৃক্ষ পরিচর্যাকারীরা।

রাসিক সূত্র জানায়, নগরীকে নান্দনিক শোভায় আচ্ছাদিত করতে নতুন সকল সড়কের আইল্যান্ড, রোড ডিভাইডার, সিটি কর্পোরেশনের নিয়ন্ত্রিত পার্ক, বিনোদন কেন্দ্র, তালাইমারী থেকে শ্রীরামপুর পর্যন্ত পদ্মা নদীর পাড় ঘেষে বিভিন্ন প্রজাতির ফুল, ফল ও ঔষধি জাতের বৃক্ষরোপণ করা হয়েছে।

পরিচ্ছন্ন পরিবেশ, বৃক্ষরোপণসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে এ নগরী ইতোমধ্যে ব্যাপক সুনাম অর্জন করেছে। ব্যাপক বৃক্ষরোপণের ফলে বিভিন্ন প্রজাতির ফুল পাখির সমারোহে এ নগরীর সৌন্দর্য্য আগামীতে আরও বৃদ্ধি পাবে বলে মনে করছে সিটি করপোরেশন কর্তৃপক্ষ। 

রাসিক সূত্র জানায়, এ বছর রাজশাহী মহানগরীতে বৃক্ষরোপণ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ও রাসিক প্রশাসক ড. দেওয়ান মুহম্মদ হুমায়ূন কবীর। 

রাসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড.এবিএম শরীফ উদ্দিন জানান, রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের অধীনে সবুজায়ন ও নির্মল পরিবেশ গড়ে তোলার উদ্দেশ্যে বিভিন্ন কার্যক্রম হাতে নেয়া হয়েছে। নগরীর সৌন্দর্য ও পরিবেশ সুরক্ষায় রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন বৃক্ষরোপণ, রাস্তার দুই পাশ ও রোড ডিভাইডারের সবুজায়ন, বাগান তৈরি, এবং নদীর তীরের সৌন্দর্যবর্ধনের মতো কার্যক্রমের মাধ্যমে শহরকে পরিবেশবান্ধব ও স্বাস্থ্যকর করে তুলেছে। রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন মহানগরীর প্রধান প্রধান সকল সড়ক বিভাজকগুলোর সবুজায়ন ও সৌন্দর্যবর্ধনের মাধ্যমে নগরীর পরিবেশকে আরও উন্নত ও আকর্ষণীয় করে তুলেছে।  এক একটি সড়কে এক এক প্রজাতির এবং ডিজাইনের মাধ্যমে শহরের সৌন্দর্যের নান্দনিকতা ফুটিয়ে তোলা হচ্ছে।

রাসিকের পরিবেশ কর্মকর্তা সৈয়দ মাহমুদ উল ইসলাম জানান, নগরীর তালাইমারী বাঁধের সৌন্দর্যবর্ধন কার্যক্রমটি রাজশাহীর উন্নয়নের একটি নজরকাড়া উদাহরণ। তালাইমারী বাঁধের তীর ঘেঁষে সারি সারি বৃক্ষের আচ্ছাদন পরিবেশকে আরো মনোরম ও আরামদায়ক করেছে। বাঁধের স্লোপে লাগানো গাছের মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন রকমের দেশীয় ফুলের গাছ, এবং এমন সবুজ উদ্ভিদ যা এলাকাটিকে কেবল সৌন্দর্যই দেয় না, বরং এখানে চলাচলকারী মানুষের জন্য নির্মল বাতাসও নিশ্চিত করে। এখানে প্রায় ৫০ প্রজাতির কয়েক হাজার গাছ অনন্য নিদর্শন স্থাপন করেছে।