৯ ভাদ্র, ১৪৩৩
২৪ আগস্ট, ২০২৬

রাজশাহীতে একই পরিবারের চারজনের দাফন হলো পৃথক স্থানে

Admin Published: August 16, 2025, 6:37 pm
রাজশাহীতে একই পরিবারের চারজনের দাফন হলো পৃথক স্থানে

স্টাফ রিপোর্টার : রাজশাহী নগরীর অদুরে জেলার পবার বামনশিখরে উদ্ধার হওয়া একই পরিবারের চারজনের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। শনিবার বিকেলে ময়না তদন্ত শেষে পৃথক স্থানে চারজনের দাফন সম্পন্ন করা হয়।

পবা উপজেলার পারিলা ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সাইদ আলী মোর্শেদ জানান, মিনারুল ও তার ছেলে মাহিমের জানাজা শেষে বামনশিখর গ্রামে দাফন করা হয়েছে। আর মিনারুলের স্ত্রী মনিরা ও কন্যাশিশু মিথিলার দাফন হয়েছে নগরীর তালাইমারী এলাকায় বাবার বাড়ির গোরস্থানে। সামাজিকভাবে তাদের পৃথকস্থানে দাফন করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

এরআগে শুক্রবার দিবাগত রাতে নগরীর থানায় পৃথক দুটি মামলা হয়েছে। একটি হত্যা মামলা, অন্যটি অপমৃত্যুর মামলা। শুক্রবার দিবাগত রাতে নগরের মতিহার থানায় মামলা দুটি দায়ের করা হয়। মতিহার থানার ওসি আবদুল মালেক জানান, মিনারুলের আত্মহত্যার ঘটনায় তার বাবা রুস্তম আলী বাদী হয়ে অপমৃত্যুর মামলা করেছেন। আর স্ত্রী মনিরা, ছেলে মাহিম ও মেয়ে মিথিলাকে শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগে হত্যা মামলা দায়ের করেছেন মনিরার মা শিউলী বেগম।

ওসি আরও জানান, মামলা দুটিতে আসামি হিসেবে কারও নাম উল্লেখ নেই। আসামি অজ্ঞাত। তদন্ত সাপেক্ষে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান পুলিশের এই কর্মকর্তা।

প্রসঙ্গত, শুক্রবার সকালে বানমশিখর গ্রামের বাড়ির দুটি ঘরে চারজনের লাশ পাওয়া যায়। এরা হলেন- মিনারুল ইসলাম (৩০), তাঁর স্ত্রী মনিরা খাতুন (২৮), ছেলে মাহিম (১৪) ও মেয়ে মিথিলা (৩)। একটি ঘরের বিছানায় ছিল স্ত্রী মনিরা ও শিশুকন্যা মিথিলার লাশ। পাশের ঘরের বিছানায় ছিল মাহিমের লাশ। এ ঘরেই ফ্যানের সঙ্গে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় মিনারুলের লাশ ঝুলছিল। ঘর থেকে দুই পাতার একটি চিরকুট উদ্ধার করা হয়। এটি মিনারুল লিখে গিয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। চিরকুটে পরিবারের তিনজনকে হত্যার পর নিজে আত্মহত্যার কারন হিসেবে ‘ঋণগ্রস্থ অভাব অনটনের’ কথা লিখে যান মিনারুল।