প্রধান অতিথি বলেন, কন্যাশিশুদের জন্য কেনো দিবস পালন করতে হবে কেন? সন্তান যাই হোক ছেলে অথবা মেয়ে সবাইকে সমানভাবে মানুষ করতে হবে। কোনো বৈষম্য রাখা যাবে না। একটা ছেলে যে কাজ নির্বিঘ্নে করতে পারে একই কাজ মেয়েদের করতে পরিবার থেকে যে বাঁধা দেয়া হয় তা দূর করতে হবে।
বাল্যবিবাহ রোধ না হওয়ার কারণ উল্লেখ করে অসীম কুমার বলেন, বাল্যবিবাহ এমনি এমনি আসে নাই, আমরা কন্যাশিশুদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হয়েছি। তাদের সুরক্ষিত করা সকল নাগরিকের দায়িত্ব।
নারীদের সফলতা তুলে ধরে তিনি বলেন, এভারেষ্ট জয় থেকে শুরু করে পৃথিবীর গুরুত্বপূর্ণ জায়গাতে নারীরা দায়িত্ব পালন করছে। নারীরা ছেলেদের থেকে অনেক সৃজনশীল, তাদের প্লাটফরম তৈরি করতে হবে। তাহলেই আমরা নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের যে স্বপ্ন দেখছি তা পূরণ করা অনেকটাই সম্ভব হবে।
এ সময় তিনিসফল জীবন নয়, স্বার্থক জীবনে নারীদের গড়ে তোলার আহ্বান জানান ।
মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপপরিচালক শবনম শিরিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানেবিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবু সালেহ মো: আশরাফুল আলম, জেলা শিক্ষা অফিসার আব্দুল আজিজ সরদার, রাজশাহী সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোসা: রহিমা আকতার জাহান এবং কন্যাশিশু এডভোকেসি ফোরামের সভাপতি ড. কামরুজ্জামান। অন্যান্যের মধ্যে বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শিক্ষকÑশিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠান শেষে তিনি কন্যাশিশুদের শপথ বাক্য পাঠ এবং বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন।