স্টাফ রিপোর্টার : রাজশাহীতে অনুষ্ঠিত ‘নিরাপদ খাদ্য ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং সামাজিক প্রেক্ষাপট বিশ্লেষণ’ শীর্ষক এক সেমিনারে নিরাপদ খাবার প্রস্তুত ও গ্রহণের বিষয়ে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। বলা হয়, সরকারি সংস্থা, ব্যবসায়ী এবং ভোক্তা সকলে মিলে যদি কাজ না করি, তাহলে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করার এই লড়াইয়ে সফল হওয়া কঠিন হবে। তাই খাদ্য উৎপাদন ও বিপণন পর্যায়ে নজরদারি আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
মঙ্গলবার রাজশাহী জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের রাজশাহী জেলা কার্যালয় এই সেমিনার আয়োজন করে। সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন, রাজশাহীর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মির্জা ইমাম উদ্দিন।
সেমিনারে স্বাগত বক্তব্য ও মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন জেলা নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা মো. ইয়ামিন হোসেন। প্রবন্ধে তিনি নিরাপদ খাদ্যের বর্তমান পরিস্থিতি, চ্যালেঞ্জ এবং তা মোকাবিলায় সমন্বিত কর্মপরিকল্পনার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।
অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) উম্মে কুলসুম সম্পা, জেলা তথ্য অফিসের উপপরিচালক নাফেয়ালা নাসরীন, রাজশাহী বিভাগীয় কনজিউমার অ্যাসোসিয়েশনের (ক্যাব) সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা মামুন, উইমেন চেম্বার অফ কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি রোজিটি নাজনীন, স্থানীয় ‘সোনার দেশ’ পত্রিকার সম্পাদক আকবারুল হাসান মিল্লাতসহ জেলা নিরাপদ খাদ্য ব্যবস্থাপনা সমন্বয় কমিটির অন্যান্য সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
সেমিনারে বক্তারা বলেন, নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে হলে খাদ্য প্রস্তুতকারী থেকে শুরু করে ভোক্তা পর্যন্ত সমাজের সকল স্তরে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে। সম্মিলিত প্রচেষ্টা ছাড়া এককভাবে এই সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়। নিরাপদ খাদ্য আইন বাস্তবায়নে আরও কঠোর হওয়ার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের মাঝে সচেতনতা বাড়াতে প্রচার-প্রচারণা চালাতে হবে। শুধু জরিমানা বা শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নয়, খাদ্য ব্যবসায়ীদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তাদের সক্ষমতা বৃদ্ধি করাও জরুরি।