স্টাফ রিপোর্টার : শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে রাজশাহী সিটি করপোরেশনের আয়োজনে সনাতন নেতৃবৃন্দ, মহানগরীর পূজা উদযাপন কমিটি, মন্দির ও ক্লাবের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকগণের সঙ্গে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার দুপুরে নগর ভবনের সিটি হল সভাকক্ষে আয়োজিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক ও বিভাগীয় কমিশনার ড. দেওয়ান মুহাম্মদ হুমায়ূন কবীর।
সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রশাসক ড. দেওয়ান মুহাম্মদ হুমায়ূন কবীর বলেন, প্রতি বছরের মত এবারও আনন্দঘন ও উৎসবমুখর পরিবেশে শারদীয় দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে।
এ উপলক্ষ্যে যাবতীয় প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। পুজা উদযাপনে নিরাপত্তার ব্যাপারে পুলিশের পাশাপাশি আনসার সদস্য ও স্বেচ্ছাসেবক টীম থাকবে। আইন শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে সারাদেশে সেনাবাহিনী মোতায়েন রয়েছে। আমরা যেকোন চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় প্রস্তুত। এছাড়াও প্রতিটি মন্ডবে পুজা উদযাপন কমিটির পক্ষ থেকে সিসি ক্যামেরা সংযোজনের ব্যবস্থা রাখতে হবে। দূর্ঘটনা এড়াতে ফায়ারসার্ভিস, এ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা থাকবে।
রাস্তাঘাট সংস্কার, পরিচ্ছন্ন কার্যক্রম জোরদারকরণ করা হবে। এছাড়াও রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে একটি ফোকাল পয়েন্ট করা হবে। সেখান থেকে ওয়ান স্টপ সার্ভিসের মাধ্যমে যেকোন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা হবে। আরেক জনের ক্ষতি বা ভোগান্তি হোক এমন কাজ করা যাবে না।
তিনি বলেন, দুর্গাপূজা সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে অতীতের ন্যায় এবারো রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগিতা করা হবে। রাজশাহী সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে সকল সংশ্লিষ্ট এলাকায় পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা করা হবে। প্রতিমা বিসর্জনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। বিসর্জন ঘাটে ডুবুরী টিম রাখা হবে।
নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ নিশ্চিত করতে নেসকোকে ভূমিকা রাখতে হবে। তবে বিকল্প ব্যবস্থাপনায় জেনারেটরের ব্যবস্থা রাখতে হবে। আর দিনের আলোয় বিসর্জন কার্যক্রম শেষ করতে অনুরোধ জানান তিনি।
সভায় নেতৃবৃন্দ পুজা উদযাপন কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পন্নে বিভিন্ন মতামত ব্যক্ত করেন। সরকারী বরাদ্দের পাশাপাশি রাজশাহী সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে প্রতিটি পূজা মণ্ডপকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে।