স্টাফ রিপোর্টার : রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন খালাকে দেখতে এসে ভবনের ছাদের কার্নিশের অংশ ভেঙ্গে মিম্মা আক্তার (৪) নামের এক শিশু আহত হয়েছে। শিশুটি বর্তমানে রামেক হাসপাতালের চিকিৎসাধিন। সোমবার হাসপাতালের গাইনী ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে। ওই শিশু জেলার চারঘাট উপজেলার চক মোক্তারপুর গ্রামের মোহাম্মদ সামিউল হোসেনের মেয়ে।
মঙ্গলবার এ তথ্য জানিয়েছেন প্রত্যক্ষদশীরা। তারা জানান, সামিউল হোসেন তাঁর স্ত্রী ও ৪ বছরের শিশু মিম্মাকে নিয়ে রামেকে চিকিৎসাধীন আসমা বেগমকে দেখতে আসেন। এ সময় হঠাৎ করে বিভাগের ছাদের কার্নিশের একটি অংশ ভেঙে শিশুটির কপালের উপরিভাগে পড়ে। এতে শিশুটি মারাত্মক আহত হয়। পরিবারের সদস্যরা দ্রুত শিশুটিকে উদ্ধার করে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে কর্তব্যরত চিকিৎসক মিম্মাকে ৮ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি করার নির্দেশ দেন।
প্রত্যাক্ষদশীরা বলেন, ভবনটির কিছু অংশ অনেক পুরনো ও ঝুঁকিপূর্ণ। সময়মতো মেরামত না করায় এ ধরনের দুর্ঘটনা ঘটছে। মিম্মার বাবা মোহাম্মদ সামিউল হোসেন বলেন, মিম্মার খালাকে দেখতে এসে ভবনের ছাদের একটি কানিংশের অংশ ভেঙ্গে পড়ে মাথা কেটে যায়। এই ঘটনার পর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ মিম্মার চিকিৎসা করছেন। তারাই সকল খরচ বহন করছেন। আমাদের থাকার জন্য একটি ভালো ঘর (কেবিন) দিয়েছেন। এখন মেয়ে ভালো আছে।
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে জরুরী বিভাগের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ডা. শংকর কুমার বিশ্বাস বলেন, ছাদের কার্নিশ ভেঙে আহত হয় মিম্মা। তার চিকিৎসা চলমান আছে।
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক বিগ্রেডিয়ার জেনারেল এফএম শামীম আহমেদ বলেন, হাসপাতালটি অনেক পুরাতন। এটি রক্ষণাবেক্ষন করেই চলতে হয়। ঘটনার পর আমার দ্রত শিশুটিকে উদ্ধার করেছি। পাশাপাশি তার চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছি। পরীক্ষা নিরীক্ষাও করেছি। এখন সে ভালো আছে।