৮ ভাদ্র, ১৪৩৩
২৪ আগস্ট, ২০২৬

তানোর- গোদাগাড়ীতে বিএনপির মনোনয়ন চান ইঞ্জিনিয়ার কেএম জুয়েল

Admin Published: October 1, 2025, 12:18 pm
তানোর- গোদাগাড়ীতে বিএনপির মনোনয়ন চান ইঞ্জিনিয়ার কেএম জুয়েল

স্টাফ রিপোর্টার: রাজশাহী-১ (তানোর-গোদাগাড়ী) আসনে এবার বিএনপির মনোনয়ন চান ইঞ্জিনিয়ার কে এম জুয়েল। তিনি রাজশাহী মহানগর বিএনপির সাবেক বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক। তিনি এর আগেও ১৯৯৬ ও ২০০৮ সালে মনোনয়ন চেয়ে আলোচনায় ছিলেন। এবার তিনি মাঠে নেমেছেন। দুই উপজেলার মানুষের সাড়াও পাচ্ছেন তিনি।

রাজশাহীর গোদাগাড়ীর বাসিন্দা কে এম জুয়েল বলেন, “২০০৮ সালের নির্বাচনের আগে আমার বিরুদ্ধে সাতটি রাজনৈতিক হয়রানিমূলক মামলা দায়ের করা হয়েছিল, যার মধ্যে দুইটি মামলায় সাবেক মন্ত্রী ব্যারিস্টার আমিনুল হকের সঙ্গে আমি আসামি ছিলাম। এসব মামলায় আমি হয়রানির শিকার হয়েছি এবং কারাভোগ করেছি।”

দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে তাঁর নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে বলে দাবি করে জুয়েল বলেন, “আমি দীর্ঘদিন মাঠে কাজ করেছি। শহীদ জিয়াউর রহমানের আদর্শ অনুসরণ করে, আপসহীন দেশ নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও তারুণ্যের অহঙ্কার বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দিকনির্দেশনায় আমি রাজনীতিতে সক্রিয়। রাজশাহী-১ আসনের উন্নয়ন ও জনগণের কল্যাণে কাজ করতে চাই। তাই এবারও এ আসন থেকে ধানের শীষের মনোনয়ন চাইবো। তবে দলের সিদ্ধান্ত চুড়ান্ত। দল যে সিদ্ধান্ত নিবে সেটিই মেনে নিব।”

তিনি বলেন, ‘‘যদি আমি দলের প্রথমতো কর্মী এবং পরবর্তিতে নেতা হিসাবে যদি নিজকে মনে করি তাহলে আমাকে দলের হাই কামান্ডের দলীয় সিদ্ধান্ত ও নির্দেশনার প্রতি শ্রদ্ধা ও সম্মান প্রদর্শন করা উচিত ও জরুরী। দলীয় শৃংখলা বোধ অবশ্যই থাকা প্রয়োজন। বর্তমানে দলীয় শৃংখলা বোধের অভাবে দলের মধ্যে দন্যতা, অবক্ষয় ও হানাহানির সৃষ্টি হচ্ছে। তা কারই কাম্য নয়। আমি একজন দলের কর্মী হিসেবে দলের মঙ্গল কামনা করি। দলের সবার সঙ্গে সবার সহমর্মিতা, সহযোগিতা ও ভ্রাতৃত্ববোধ থাকা প্রয়োজন। প্রত্যেক এ রকম মনোভাবাপর্ন থাকা অতিব জরুরী। পাশাপাশি তরুণদেরকে জায়গা করে দেওয়া প্রয়োজন। 

তিনি অভিযোগ করেন, “একজন মনোনয়ন প্রত্যাশীর অনুসারীদের মধ্যে সহিংসতার ঘটনায় তানোরে দলের দুইজন ত্যাগী নেতা নিহত হয়েছেন। এটি অত্যান্ত দুঃখ্যজনক। বিষয়টি হাই কমান্ডের দৃষ্টিগোচর হয়েছে এবং তাঁরাই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন। তবে গোদাগাড়ী-তানোরবাসীর প্রত্যাশা, কোন বিতর্কিত ব্যক্তির হাতে দলীয় নেতৃত্ব যাবে না।”

কে এম জুয়েল বলেন, “দল এবার পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির প্রার্থী চাইছে। মূলত সেটি তুণমূলের চাওয়া। যারা দীর্ঘদিন এলাকায় আসেননি বা দলের কার্যক্রমে অংশ নেননি, তাঁদের প্রার্থী করা হলে তৃণমূল ক্ষুব্ধ হবে। দলের দুর্দিনে যারা মাঠে ছিলেন, তারাই যেন মনোনয়ন পান- এটা তৃণমূলের প্রত্যাশা।”

রাজশাহী-১ আসনে বিএনপির আরো যানা মনোনয়ন প্রত্যাশা কবরছেন তাদের মধ্যে রয়েছেন, অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল শরিফ উদ্দিন, শিল্পপতি ও আইনজীবী অ্যাডভোকেট সুলতানুল ইসলাম তারেক,  সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী ফোরামের নেতা ব্যারিস্টার মাহফুজুর রহমান মিলন, জেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি সাজেদুর রহমান মার্কনি এবং জিয়া পরিষদের রাজশাহী বিভাগীয় সদস্য সচিব অধ্যক্ষ আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বিপ্লব।