৮ ভাদ্র, ১৪৩৩
২৪ আগস্ট, ২০২৬

টুইন টাওয়ারে হামলার ২ যুগ

Admin Published: September 11, 2025, 2:20 pm
টুইন টাওয়ারে হামলার ২ যুগ

ডিএনএন ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের টুইন টাওয়ারে হামলার ২ যুগ পূর্ণ হলো আজ। ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলা হয় যুক্তরাষ্ট্রে। পৃথিবীব্যাপী এ হামলা ৯/১১ নামে পরিচিত। ওইদিন আল-কায়েদার সন্ত্রাসীরা দুটি উড়োজাহাজ ছিনতাই করে নিউইয়র্কের বিশ্ববাণিজ্য কেন্দ্রের সুউচ্চ জোড়া ভবন বা টুইন টাওয়ারে হামলা চালায়।


আরেকটি উড়োজাহাজ আছড়ে পড়ে পেন্টাগনে। হামলা হয় পেনসিলভানিয়াতেও। এসব হামলায় প্রাণ যায় প্রায় ৩ হাজার মানুষের, আহত হন প্রায় ২৫ হাজার মানুষ। শুধু যুক্তরাষ্ট্রের জন্যই নয়, পুরো বিশ্বের জন্যই ইতিহাসের অন্যতম প্রাণঘাতী সন্ত্রাসী হামলা এটি।


টুইন টাওয়ারে যখন উড়োজাহাজ হামলা চালানো হয়, তখন ভবনটিতে ১৭ হাজার ৪০০ মানুষ ছিলেন। নর্থ টাওয়ারে যেখানে হামলা হয়, সে স্থানের কেউই বাঁচতে পারেননি; কিন্তু ১৮ জন সাউথ টাওয়ারের ইমপ্যাক্ট জোনের ওপরের মেঝে থেকে বেঁচে যান। হতাহত মানুষদের মধ্যে ৭৭ দেশের নাগরিক ছিলেন। এই হামলায় নিউইয়র্ক নগরের ৪৪১ উদ্ধারকর্মী নিহত হন। হামলার পর হাজারো মানুষ আহত বা নানা রোগে আক্রান্ত হন। বিষাক্ত ধ্বংসস্তূপে কাজ করা অনেক অগ্নিনির্বাপণকর্মীও ছিলেন।


আফগানিস্তানের জঙ্গি সংগঠন আল–কায়েদা এ হামলার পরিকল্পনা করে। মুসলিম বিশ্বের মধ্যে সংঘাত সৃষ্টিতে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের দায়ি করে আল-কায়েদা নেতা ওসামা বিন লাদেনের মূল পরিকল্পনায় এ হামলা চালানো হয়। উড়োজাহাজ ছিনতাইয়ে যুক্ত ছিলেন ১৯ জন। তারা পাঁচজনের তিনটি দল ও চারজনের একটি দলে ভাগ হয়ে উড়োজাহাজ ছিনতাই করে।


প্রতিটি দলে এমন একজন ছিলেন, যাঁর উড়োজাহাজ চালানোর প্রশিক্ষণ ছিল। তাঁরা যুক্তরাষ্ট্রেরই উড়োজাহাজ প্রশিক্ষণকেন্দ্রে প্রশিক্ষণ নেন। এর মধ্যে ১৫ জন ছিলেন সৌদি আরবের নাগরিক। দুজন ছিলেন সংযুক্ত আরব আমিরাতের, একজন মিসর এবং একজন লেবাননের।


টুইন টাওয়ারে হামলার এক মাসের কম সময়ের মধ্যে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশের নেতৃত্বে আফগানিস্তানে আল–কায়েদাকে নিশ্চিহ্ন করতে আন্তর্জাতিক জোট হামলা চালায়। এর পরে হামলা হয় ইরাকে। পরবর্তীতে এ হামলার অজুহাতে ওয়ার অন টেররের অংশ হিসেবে বিভিন্ন মুসলিম দেশে হামলা করে ওয়াশিংটন।