স্টাফ রিপোর্টার : ফেসবুকে পরিচয়ের সূত্র ধরে ফিলিপাইনের দুই তরুনী এসে ঘর বেঁধেছেন রাজশাহীর তানোর উপজেলার দুই যুবকের সঙ্গে। প্রথমে পরিচয় থেকে বন্ধুত্ব। তারপর প্রেম। এরপর সব গণ্ডি পেরিয়ে রাজশাহী জেলার তানোরে এসেছেন ফিলিপাইনের দুই তরুণী। এরই মধ্যে তারা বিয়ে করেছেন নিজেদের ভালোবাসার মানুষকে।
এই জোড়া দম্পতি হলেন বাংলাদেশের রাজশাহীর তানোর উপজেলার কামারগাঁ ইউনিয়নের কৃষ্ণপুর গ্রামের রাকিবুল ইসলাম ও ফিলিপাইনের জাম্বোয়াঙ্গা উপদ্বীপ অঞ্চলের খাদিজা ইসলাম। অন্যজন একই ইউনিয়নের মালশিরা গ্রামের রেজাউল করিমহ ও ফিলিপাইনের নেগ্রোস দ্বীপের পশ্চিমে অবস্থিত বাগো শহরের মরিয়ম খাতুন ।
জানা যায়, প্রায় দুই বছর আগে ফেসবুকে তানোর উপজেলার কামারগাঁ ইউনিয়নের কৃষ্ণপুর গ্রামের সাইদুর রহমানের ছেলে রাকিবুল ইসলামের সঙ্গে পরিচয় হয় ফিলিপাইনের জাম্বোয়াঙ্গা উপদ্বীপ অঞ্চলের বাসিন্দা খাদিজা ইসলামের। পরিচয় থেকে বন্ধুত্ব গড়ায় ভালোবাসার সম্পর্কে। গত ৫ অক্টোবর সৌদি থেকে বাংলাদেশে আসেন খাদিজা ইসলাম। ঢাকায় বিমানবন্দরে তাকে রিসিভ করেন রাকিবুল। পরদিন ৬ অক্টোবর মুসলিম রীতিতে বিয়ে করেন তারা।
এদিকে, প্রেমের টানে একই ইউনিয়নের মালশিরা গ্রামের আব্দুর রহমানের ছেলে রেজাউল করিমের কাছে ছুটে এসেছেন ফিলিপাইনের নেগ্রোস দ্বীপের পশ্চিম অংশ বাগো শহরের প্রেমিকা মরিয়ম খাতুন। প্রেমিক রেজাউল ও ভিনদেশি প্রেমিকা মরিয়র খাতুন সিঙ্গাপুরে একটি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ছিলেন। কাজের সুবাদে রেজাউল সিঙ্গাপুরে থাকায় মরিয়মের সঙ্গে ফেসবুকে পরিচয় ও বন্ধুত্ব হয়। প্রায় তিন মাস আগে ভিনদেশি ওই প্রেমিকা মরিয়ম বাংলাদেশে এসে তানোর উপজেলার কাঁমারগা ইউনিয়নের মালশিরা গ্রামের প্রেমিক রেজাউলকে মুসলিম রীতিতে বিয়ে করে তাঁর বাড়িতে বসবাস করছেন তিনি।