৭ ভাদ্র, ১৪৩৩
২২ আগস্ট, ২০২৬

বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় ও ইউনিভার্সিটি সায়েন্স ইসলাম মালয়েশিয়ার সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত

Admin Published: January 28, 2026, 6:11 pm
বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় ও ইউনিভার্সিটি সায়েন্স ইসলাম মালয়েশিয়ার সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত

স্টাফ রিপোর্টার : রাজশাহীস্থ বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের উদ্যোগে মালয়েশিয়ার ইউনিভার্সিটি সায়েন্স ইসলাম মালয়েশিয়ার (ইউএসআইএম) সঙ্গে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে। বুধবার বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড রুমে এক আনুষ্ঠানিক ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে এই সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়।

অনুষ্ঠানে বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো. খাদেমুল ইসলাম মোল্যা। অপরদিকে ইউনিভার্সিটি সায়েন্স ইসলাম মালয়েশিয়ার পক্ষে স্বাক্ষর করেন অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর ড. নরহায়াতি রাফিদা আবদুল রহিম, যিনি ইউএসআইএম-এর ফ্যাকাল্টি অব লিডারশিপ অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট-এর ডেপুটি ডিন (রিসার্চ অ্যান্ড ইনোভেশন) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

এই সমঝোতা স্মারকের মাধ্যমে দুই বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে একাডেমিক সহযোগিতা জোরদার, যৌথ গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা, শিক্ষক ও শিক্ষার্থী বিনিময়, পাঠ্যক্রম উন্নয়ন, পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে একাডেমিক ও সাংস্কৃতিক অভিজ্ঞতা বিনিময়ের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেন। এর ফলে উভয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের জন্য আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষা ও গবেষণায় সম্পৃক্ত হওয়ার নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।

সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন থাইল্যান্ডের মাহিদল বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন ডিভিশনের অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর ড. বাবলু কুমার ধর। এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ প্রফেসর ড. মো. ফয়জার রহমান এবং রেজিস্ট্রার লে. কর্নেল মোহাম্মদ খালেদ বিন ইউসুফ (অব.)।

এ সময় অনুষ্ঠানের আয়োজক বিভাগ ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের প্রধান ও বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব বিজনেস অ্যান্ড ল’-এর ডিন অধ্যাপক ড. কানিজ হাবিবা আফরিন, এবং ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের কো-অর্ডিনেটর ও অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর ড. রেজাউল করিমসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠান শেষে অতিথিরা এই সমঝোতা স্মারককে দুই প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি, কার্যকর ও ফলপ্রসূ একাডেমিক অংশীদারিত্বের ভিত্তি হিসেবে উল্লেখ করেন এবং ভবিষ্যতে যৌথভাবে শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণের আশাবাদ ব্যক্ত করেন।