২ কার্তিক, ১৪৩৩
১৭ অক্টোবর, ২০২৬

বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে প্লাস্টিক দূষণ সচেতনতা সেমিনার অনুষ্ঠিত

Admin Published: September 3, 2025, 6:38 pm
বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে প্লাস্টিক দূষণ সচেতনতা সেমিনার অনুষ্ঠিত

স্টাফ রিপোর্টার : বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে গ্রিন ভয়েস-এর আয়োজনে প্লাস্টিক পোলিউশন অ্যান্ড আওয়ার রেসপন্সিবিলিটি: থিংকস্ উই ক্যান ডু শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫) বিশ্ববিদ্যালয়ের অডিটোরিয়ামে সেমিনারটি অনুষ্ঠিত হয়।সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ প্রফেসর ড. মো. ফয়জার রহমান। প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন গ্রিন ভয়েস-এর প্রধান সমন্বয়ক জনাব আলমগীর কবির। সম্মানিত আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গ্রীন ভয়েস রাজশাহী কলেজ শাখার উপদেষ্টা জনাব জুয়েল কিবরিয়া, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের রিসার্চ ও ক্যারিয়ার সেন্টারের পরিচালক প্রফেসর ড. এএইচ এম রহমতউল্লাহ ইমন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র উপদেষ্টা আবু জাফর মো. সাদী। এছাড়াও অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, গ্রিন ভয়েস-এর কর্মকর্তা এবং শিক্ষার্থীরা  উপস্থিত ছিলেন ।


সেমিনারটি দুটি অংশে বিভক্ত ছিল। প্রথম অংশে প্লাস্টিক দূষণ রোধে করণীয় ও তরুণ প্রজন্মের ভাবনা নিয়ে আলোচনা করা হয়। দ্বিতীয় অংশে অনুষ্ঠিত হয় বৃক্ষরোপণ ও বৃক্ষ বিতরণ কার্যক্রম।


অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন প্রধান অতিথি প্রফেসর ড. মো. ফয়জার রহমান। বিশেষ আলোচক হিসেবে বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক নিখাতে জান্নাত বিনতে জিন্নাহ তার বক্তব্যে বাংলাদেশে প্লাস্টিক দূষণের ভয়াবহতা তুলে ধরেন এবং উদাহরণ হিসেবে সেন্টমার্টিন দ্বীপে প্রবেশ নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি উল্লেখ করেন।


প্রধান আলোচক জনাব আলমগীর কবির তার বক্তৃতায় প্লাস্টিকের ধরন, ব্যবহার এবং এর বহুমুখী প্রভাব বিশদভাবে তুলে ধরেন। তিনি বৈশ্বিক পরিসংখ্যান উপস্থাপন করে বলেন, ‘প্লাস্টিক দূষণে অবদান রাখা শীর্ষ ২০ দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান রয়েছে।’


সম্মানিত আলোচক জনাব জুয়েল কিবরিয়া তার বক্তব্যে জনসচেতনতার পাশাপাশি নীতিনির্ধারকদের কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন। তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, ‘শিক্ষার্থীরাই পারে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে একটি সবুজ পৃথিবী উপহার দিতে।’


সেমিনারের সমাপনীতে প্লাস্টিক ব্যবহার সীমিত করার আহ্বান জানানো হয় এবং অংশগ্রহণকারীদের মাঝে বৃক্ষ বিতরণ করা হয়।