১৬ বৈশাখ, ১৪৩৩
২৯ এপ্রিল, ২০২৬

দেশের সব অংশেই মৌলিক সুবিধা গড়ে তোলা হবে : প্রধানমন্ত্রী

Admin Published: April 29, 2026, 1:49 pm
দেশের সব অংশেই মৌলিক সুবিধা গড়ে তোলা হবে : প্রধানমন্ত্রী

ডিএনএন ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ঢাকার ওপর চাপ কমাতে কর্মসংস্থান, শিক্ষা ও চিকিৎসাসহ মৌলিক সুবিধাগুলোকে দেশের সব অংশেই পর্যায়ক্রমিকভাবে গড়ে তোলা হবে।বুধবার (২৯ এপ্রিল) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ২৪তম দিন সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে এ কথা জানান তিনি।এ পর্যায়ে অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দন আহমদ।কুমিল্লা-৯ আসনের সংসদ সদস্য মো. আবুল কালাম সম্পূরক প্রশ্নে বলেন, রাজধানী ঢাকাকে বাসযোগ্য ও আধুনিক নগরী হিসেবে গড়ে তোলার জন্য সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা ও সম্মিলিত পদক্ষেপ গ্রহণ অত্যন্ত জরুরি। এ উপলব্ধি থেকে প্রধানমন্ত্রী শপথ নেওয়ার পরপরই জনগণকে স্বস্তি দেওয়ার প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছেন। রাজধানী ঢাকা নাগরিক সমস্যার সমাধানের জন্যে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন।


আমার সম্পূরক প্রশ্নে জানতে চাই, জনঘনত্ব নিয়ন্ত্রণ ও বিকেন্দ্রীকরণের লক্ষ্যে রাজধানী ঢাকামুখী মানুষের স্রোত কমানোসহ প্রশাসনিক ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে ঢাকার বাইরে ছড়িয়ে দিতে আপনার সরকার কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করবে কিনা এবং করলে তা কী?


জবাবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, আপনি যে প্রশ্নটি করেছেন এটির পদক্ষেপটি একটি দীর্ঘমেয়াদি পদক্ষেপ। আনফরচুনেটলি যেভাবেই হোক আমরা খেয়াল করেছি যে, মানুষের সুযোগ সুবিধা সেটি চাকরির ক্ষেত্রে হোক, চিকিৎসার ক্ষেত্রে হোক, পড়ালেখার ক্ষেত্রে হোক, বাচ্চাদের সবকিছুই ঢাকাকেন্দ্রিক গড়ে উঠেছে। এক-দুই দিনে না, এটি বহু বছর ধরে গড়ে উঠেছে।


তিনি আরও বলেন, আনফরচুনেটলি সারা দেশকে ঘিরে এই সুবিধাগুলো আমরা হয়তো সেভাবে গড়ে তুলতে সক্ষম হইনি এখনও। সে কারণেই স্বাভাবিকভাবে সারা দেশ থেকে মানুষ ঢাকামুখী হয়ে থাকে। কর্মসংস্থানের সুবিধা, সন্তানদের লেখাপড়া, পরিবারের সদস্যদের চিকিৎসার জন্যই ঢাকামুখী হয়েছে। দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার মধ্যে আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে ধীরে ধীরে দেশের সব অংশেই পর্যায়ক্রমিকভাবে মৌলিক সুবিধাগুলোকে গড়ে তোলা।


প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার বিভিন্ন শিল্পায়ন গড়ে তোলার লক্ষ্যে দেশের বিভিন্ন জায়গায় বিশেষ শিল্পায়িত অঞ্চল গড়ে তোলার চেষ্টা করছে। একইসঙ্গে আমরা চেষ্টা করছি দেশের বিভিন্ন জায়গায় চিকিৎসা সেবাও গড়ে তুলতে এবং দেশের বিভিন্ন জায়গায় আমাদের আগামী ভবিষ্যৎ প্রজন্মদের লেখাপড়ার জন্য ধীরে ধীরে ভালো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার জন্য। আমরা মনে করি, এ সুবিধাগুলো যদি আমরা গড়ে তুলতে পারি, তাহলে মানুষ কম উৎসাহিত হবে ঢাকা শহরে আসার জন্য। এর মাধ্যমেই আমরা ধীরে ধীরে ঢাকার উপরে চাপ কমাতে সক্ষম হব বলে আমরা মনে করি।