২৪ কার্তিক, ১৪৩৩
০৮ নভেম্বর, ২০২৬

জোসনারা ফুডের প্রামাণ্য চলচ্চিত্র নির্মাণ করছেন প্রাচ্য পলাশ

Admin Published: November 8, 2026, 3:18 pm
জোসনারা ফুডের প্রামাণ্য চলচ্চিত্র নির্মাণ করছেন প্রাচ্য পলাশ

স্টাফ রিপোর্টার : ংতরুণ চলচ্চিত্র নির্মাতা প্রাচ্য পলাশের পরিচালনায় নতুন প্রামাণ্য চলচ্চিত্র ‘জোসনারা ফুড অ্যান্ড এগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজ’ নির্মিত হচ্ছে। গত ৭ ও ৮ নভেম্বর দু’দিনব্যাপী জোসনারা গ্রুপের বিভিন্ন কোম্পানিতে এর চিত্রধারণ করা হয়েছে।


বাংলাদেশের পশ্চিম সীমান্তবর্তী ফলের রাজা আমের রাজধানীখ্যাত চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার ‘জোসনারা ফুড অ্যান্ড এগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড’-এর তিনটি ভোগ্যপণ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান মেসার্স জোসনারা অটো রাইস মিলস, মেসার্স ভাই ভাই অটো রাইস মিলস, মেসার্স আসিফ অটো রাইস মিলস, এগ্রোভিত্তিক প্রতিষ্ঠান মেসার্স আলম এগ্রো ফার্ম ও দূরপাল্লার পরিবহন গ্রামীণ ট্রাভেলসের প্রতিষ্ঠা, উন্নয়ন-অগ্রগতি, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি সর্বোপরি অর্থনীতিতে ইতিবাচক ভূমিকার কথাই এ প্রামাণ্য চলচ্চিত্রের মূল উপজীব্য।


‘জোসনারা ফুড অ্যান্ড এগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড’-এর কর্ণধার আলহাজ মো. মোখলেসুর রহমান জানান, ১৯৮৫ সালে হাসকিং মিল প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে যাত্রা শুরু করা আজকের এই ‘জোসনারা ফুড অ্যান্ড এগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড’-এর তিনটি অটো রাইস মিলে ১ হাজার ২১৬ মেট্রিক টন আতপ ও সিদ্ধ চাল উৎপাদন ও বাজারজাত করে দেশের মানুষের চাহিদা পূরণে ভূমিকা রাখছে। তিনটি রাইস মিল, এগ্রো ফার্ম, গ্রামীণ ট্রাভেলসসহ গ্রুপের সব প্রতিষ্ঠানে বর্তমানে ১ হাজার ২০০-এর অধিক ব্যক্তির কর্মসংস্থান হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।


প্রাকৃত অ্যাডভার্টাইজিংয়ের ক্রিয়েটিভ ও টেকনিক্যাল সহায়তায় নির্মাণাধীন এ প্রামাণ্য চলচ্চিত্রটিতে কৃষিপ্রধান অর্থনীতির এ দেশে কৃষিভিত্তিক শিল্প কীভাবে জনজীবন, তৃণমূল জনগোষ্ঠীর জীবিকা ও দেশের অর্থনীতিকে গতিশীল করতে ভূমিকা রাখে, সেই বিষয়বস্তু তুলে ধরার প্রয়াস চালানো হয়েছে।


‘জোসনারা ফুড অ্যান্ড এগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজ’ প্রামাণ্য চলচ্চিত্রের নির্মাতা প্রাচ্য পলাশ জানান, প্রাকৃত অ্যাডভার্টাইজিং বর্তমানে টোটাল ব্র্যান্ডিং নিয়ে দেশব্যাপী সেবা দিচ্ছে। ইতোমধ্যে তারা দেশের ৪৫টি জেলায় ব্র্যান্ডিং সেবা দিয়েছেন এবং দেশের বাইরেও প্রাকৃত অ্যাডভার্টাইজিংয়ের সেবার সুনাম ও চাহিদা সৃষ্টি হয়েছে।


তরুণ চলচ্চিত্র নির্মাতা প্রাচ্য পলাশ ২০১৪ সালে একটি ধারাবাহিক নির্মাণের মধ্য দিয়ে নির্মাতা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন। ইতোমধ্যে তাঁর নির্মাণগুলো সিনেমা, ওটিটি, টিভি ও ডিজিটাল মাধ্যমে মুক্তি পেয়েছে। তিনি ২০১৭ সালে প্রাকৃত অ্যাডভার্টাইজিং গড়ে তুলে ব্র্যান্ডিং সেবা প্রদান শুরু করেন এবং কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ ‘ব্র্যান্ড কনসালট্যান্ট অ্যাওয়ার্ড ২০২৪’ অর্জন করেন।