৭ ভাদ্র, ১৪৩৩
২২ আগস্ট, ২০২৬

খরা পরিস্থিতি মোকাবিলায় চাষাবাদে আধুনিক প্রযুক্তি যুক্ত করার তাগিদ

Admin Published: February 18, 2026, 6:49 pm
খরা পরিস্থিতি মোকাবিলায় চাষাবাদে আধুনিক প্রযুক্তি যুক্ত করার তাগিদ

স্টাফ রিপোর্টার : রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে অনুষ্ঠিত অংশীজন সভায় খরা পরিস্থিতি মোকাবিলায় কৃষকদেরকে ঐতিহ্যগত চাষাবাদ পদ্ধতির সঙ্গে আধুনিক প্রযুক্তি যুক্ত করার তাগিদ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে পানি সংরক্ষণ, মালচিং এবং মিশ্র ফসল চাষের ওপর জোর দেওয়া হয়।

বুধবার রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলা প্রশাসনিক সভা কক্ষে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা এ্যাসোসিয়েশন ফর কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট-এসিডি এ সভার আয়োজন করে। অক্সফাম ইন বাংলাদেশ’র কাল্টিভেটিং চেঞ্জ কর্মসূচির আওতায় জলবায়ু স্থিতিস্থাপকতা, অভিযোজন বিষয়ে  এ অংশীজন সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সরকারি কর্মকর্তা, নারী কৃষক, আদিবাসী সম্প্রদায়ের সদস্য, গণমাধ্যম প্রতিনিধিা অংশগ্রহণ করেন।

সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন গোদাগাড়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) নাজমুস সাদাত। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মরিয়ম আহমেদ, উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা. শাইলা শারমিন, উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মো. ওয়াহিদুজ্জামান, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা একেএম মোমিনুল হক, বরেন্দ্র বহুমূখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের সহকারী প্রকৌশলী মো. আব্দুল লতিফ সরদার, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. মানিক, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. সোহেল রানা, সমবায় কর্মকর্তা জিগার হযরত, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা নিলুফার ইয়াসমিন ও গোদাগাড়ী প্রেসক্লাবের সভাপতি এবিএম কামরুজ্জামান বকুল। সভায় সহায়কের দায়িত্ব পালন করেন ‘কাল্টিভেটিং চেঞ্জ’ প্রকল্পের প্রকল্প সমন্বয়কারী সুব্রত কুমার পাল।

প্রধান অতিথি উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. নাজমুস সাদাত বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন এখন বাস্তবতা। এই ধরনের পরামর্শ সভা আমাদের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নেন সহায়তা করবে। সরকার ও জনগণ একসঙ্গে কাজ করলে বরেন্দ্র অঞ্চলকে জলবায়ু সহনশীল করে তোলা সম্ভব।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মরিয়ম আহমেদ বলেন, খরা পরিস্থিতি মোকাবিলায় আমাদের কৃষকদেরকে ঐতিহ্যগত চাষাবাদ পদ্ধতির সঙ্গে আধুনিক প্রযুক্তি যুক্ত করতে হবে। পানি সংরক্ষণ, মালচিং এবং মিশ্র ফসল চাষ এখন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কৃষি বিভাগ কৃষকদের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।

অলিভিয়া বিশ্বাস নামের একজন নারী কৃষক বলেন, এসিডির মাধ্যমে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে আমরা এখন নতুন প্রক্রিয়াই চাষাবাদ করছি। কীভাবে জলবায়ু সহনশীল উৎপাদন নিশ্চিত করা যায়, তাও শিখেছি। সভায় বক্তারা বলেন, বরেন্দ্র অঞ্চলে খরা পরিস্থিতি দিন দিন তীব্র হচ্ছে, ফলে খাদ্য উৎপাদন ও জীবিকা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। তারা টেকসই কৃষি পদ্ধতি, পানি সংরক্ষণ এবং স্থানীয় জ্ঞানের ব্যবহারকে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলার কার্যকর উপায় হিসেবে তুলে ধরেন।