স্টাফ রিপোর্টার : নারী কৃষকরা খাদ্যশস্য উৎপাদন ও জৈব কৃষি চর্চা করছেন। শাক-সবজি উৎপাদনে তাদের ভূমিকাও অনেক। কিন্তু নানা সুযোগ-সুবিধা থেকেই তারা বঞ্চিত। কৃষিতে নারীদের এগিয়ে নিতে হলে তাদেরও সহযোগিতা করা দরকার। বিশেষ করে নারী কৃষকদেরও কৃষিঋণ পাওয়া উচিত।
রবিবার রাজশাহীতে ‘সরকারি কৃষি সেবা ও ব্যাংক কৃষিঋণ প্রাপ্তিতে গ্রামের নারী কৃষকের অন্তর্ভুক্তি এবং বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক কর্মশালায় বক্তারা এসব কথা বলেছেন। অন্তর্জাতিক গ্রামীণ নারী দিবস উপলক্ষে রাজশাহীতে এনজিও ফোরামের সভাকক্ষে অ্যাসোসিয়েশন ফর ল্যান্ড রিফর্ম অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (এএলআরডি) ও রুরাল আন্ডারপ্রিভিলেজড ল্যান্ডলেস ফার্মার অর্গানাইজেশন (রুলফাও) এ কর্মশালার আয়োজন করে।
এতে প্রধান অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) তরফদার মো. আক্তার জামীল। তিনি বলেন, গ্রামীণ নারী ও ক্ষুদ্র কৃষকেরা জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবিলায় ভূমিকা রাখছেন। তাই কৃষি নীতিমালায় আলাদাভাবে নারী কৃষকদের পরিচয় নির্ধারণের মাধ্যমে স্বীকৃতি প্রদান, সরকারি সেবাসমূহে নারীর অন্তর্ভুক্তি ও প্রাপ্তি নিশ্চিত করা প্রয়োজন। একটি বৈষম্যহীন সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে সকল স্তরের নারীর অধিকার নিশ্চিত করার আহ্বান জানান তিনি।
কর্মশালায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন, রুলফাও-এর রাজশাহীর নির্বাহী পরিচালক আফজাল হোসেন। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন এএলআরডির রাজশাহীর কর্মসূচি কর্মকর্তা মুবিনুর রহমান। সংস্থার নির্বাহী পরিচালক শামসুল হুদার সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন- রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকের জোনাল ম্যানেজার মো. মোহাব্বত আলী বিশ্বাস, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের রাজশাহীর উপ-পরিচালক শবনম শারমিন ও জেলা সমবায় কর্মকর্তা মো. আকরাম হোসেন।
এছাড়াও আলোচক ছিলেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. সাবরিনা নাজ, ফোকলোর বিভাগের অধ্যাপক ড. মোবারা সিদ্দিকা, বিএলআরআইয়ের রাজশাহীর বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. সুকুমার রায়, উন্নয়ন সংগঠক ও নারী উদ্যোক্তা ড. ফরিদা পারভীন কেয়া প্রমুখ।