৮ ভাদ্র, ১৪৩৩
২৩ আগস্ট, ২০২৬
গর্তের পাশে ৪০ ফুট সুড়ঙ্গ খুড়েও অস্তিত্ব মেলেনি

শিশু সাজিদকে উদ্ধারে অবিরাম চেষ্টা

Admin Published: December 11, 2025, 9:46 pm
শিশু সাজিদকে উদ্ধারে অবিরাম চেষ্টা

স্টাফ রিপোর্টার : দিন-রাত অবিরাম ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিটের প্রচেষ্টায় ৪০ ফুটের বেশী সুড়ঙ্গ কেটেও রাজশাহীর তানোরে গভীর নলকূপের জন্য খনন করা গর্তে পড়া শিশু সাজিদের অস্তিত্ব মেলেনি। ধারনা করা হচ্ছে ওই গর্তের গভীরতা আরো অনেক নীচে। স্থানীয়দের ভাষ্য এ অঞ্চলে গভীর নলকুপের জন্য সাধারনত ১৩০ থেকে ১৪০ ফুৃট পর্যন্ত করা হয়ে থাকে। বৃহস্পতিবার শিশুটিকে উদ্ধারে আবার সড়ঙ্গ খোড়ার কাজ শুরু হয়েছে।ঘটনার পর শিশু সাজিদকে উদ্ধারে ৪০ ফুট গভীর গর্ত খনন করা হয়েছে। এরপর মূল সরু গর্তে পৌঁছাতে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা এখন সুড়ঙ্গ করার কাজ করেছেন। তবে বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১০ ৯টা পর্যন্ত শিশু সাজিদের দেখা মেলেনি।


এর আগে বুধবার দুপুর ১টার দিকে মায়ের পেছন পেছন হাঁটার সময় ওই গর্তে ঢুকে যায় শিশু সাজিদ। তারপর থেকে তাকে উদ্ধারের জন্য কাজ শুরু করে ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট। বুধবার থেকেই ওই গর্তে পাইপের মাধ্যমে অক্সিজেন দেওয়া হচ্ছে শিশুটিকে বাঁচিয়ে রাখার জন্য।

তানোরের এই এলাকাটি উচ্চ খরাপ্রবণ এলাকা। এখানে মাটির ১৩০ থেকে ১৪০ ফুট গভীরেও ভূ-গর্ভস্থ পানির সন্ধান মেলে না। এ জমির মালিক কছির উদ্দিন একটি গভীর নলকূপ বসাতে চেয়েছিলেন। তাই বছর খানেক আগে ৮ ফুট ব্যাসার্ধে খনন করেছিলেন। কিন্তু পানি না পেয়ে গভীর নলকূপ বসানো হয়নি। সেই গর্তে পড়ে গেছে গ্রামের রাকিবুল ইসলামের দুই বছর বয়সী ছেলে সাজিদ।


এদিকে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ক্যামেরা নামিয়ে শিশুটিকে দেখতে পায়নি। বর্তমানে তিনটি স্কেভেটর যন্ত্রে মাটি খোড়া হচ্ছে। ফায়ার সার্ভিসের রাজশাহী স্টেশনের সহকারী পরিচালক দিদারুল ইসলাম বলেন, ‘উদ্ধার কাজ এখনও চলছে। আমরা শিশুটিকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করতে চাই।’ ঘটনার পর থেকে এলাকার হাজরো মানুষ উৎকণ্ঠা নিয়ে উদ্ধার তৎপরতা দেখছেন।