৮ ভাদ্র, ১৪৩৩
২৩ আগস্ট, ২০২৬

‘আমিষ উৎপাদনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অর্জন অভূতপূর্ব’

Admin Published: November 27, 2025, 4:43 am
‘আমিষ উৎপাদনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের  অর্জন অভূতপূর্ব’

স্টাফ রিপোর্টার : রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ড. আ. ন. ম বজলুর রশীদ বলেছেন, আমিষ উৎপাদনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ এক অভূতপূর্ব অর্জন করেছে। এ অর্জন সাময়িক নয়, এটা স্থায়ী অর্জন। আমিষে এখন আর আমরা পরনির্ভরশীল নই, আমাদের একটি ভিত্তি তৈরি হয়ে গেছে। প্রাণিসম্পদ দফতরে যারা কর্মরত আছেন তারাসহ কৃষক এবং তরুণ সমাজ এগিয়ে এসেছেন বলেই এটা সম্ভব হয়েছে।

বুধবার রাজশাহী বোটানিক্যাল গার্ডেন ও চিড়িয়াখানা পার্কিং চত্বরে জাতীয় প্রাণিসম্পদ সপ্তাহ উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।

বজলুর রশীদ বলেন, প্রাণিসম্পদ দফতর এখন আর পিছিয়ে নেই। সময় পরিক্রমায় পূর্বের প্রতিকূল পরিস্থিতিকে অতিক্রম করে তারা একটি ভালো ভাবমূর্তি তৈরি করতে পেরেছে। এটি মাঠ পর্যায়ে যারা কাজ করেন তাদের পরিশ্রমের ফল। এই সেক্টরের গুরুত্বের কারণে সরকার প্রথমবারের মতো এবছর প্রাণিসম্পদ সপ্তাহ ঘোষণা করেছে। প্রাণিসম্পদে অবদান রাখায় আজ জাতীয় পর্যায়ে রাজশাহী থেকে ৬ জন পুরস্কার পাচ্ছেন, এটা আমাদের জন্য অত্যন্ত গৌরবের বিষয়।

নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনের উপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, আমরা নিজেরা যদি এই নৈতিক দায়িত্ব পালন করি যে, আমরা খাবারে কোনো ভেজাল মিশাবো না তাহলে আমাদের সমস্যা অনেকটাই কমে যাবে। আপনারা দেখবেন অনেক মিল-ফ্যাক্টরি ছিলো যাদের পণ্য আগে বাজারে খুব পাওয়া যেত এখন সেগুলো হারিয়ে গেছে। এটার কারণ হলো, পণ্যে ভেজাল। কাজেই আমরা পূর্বের অবস্থানে ফিরে যেতে চাই না। নিরাপদ খাদ্য হবে আমাদের প্রথম স্লোগান। আমি যতটুকুই মানুষের খাওয়ার জন্য উৎপাদন করি, সেটা যেন নিরাপদ হয়। এসময় আমাদের প্রাণিসম্পদ খাত শুধু দেশে নয়, বিদেশেও গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করবে মর্মে তিনি প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

রাজশাহী জেলা প্রশাসক আফিয়া আখতারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন বিভাগীয় প্রাণিসম্পদ দফতরের পরিচালক ড. আনন্দ কুমার অধিকারী, রাজশাহী রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি নওরোজ হাসান তালুকদার, আরএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার নাজমুল হাসান, পুলিশ সুপার ফারজানা ইসলাম প্রমুখ।

এর আগে বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয় হতে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের করা হয়। র‌্যালিটি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে বোটানিক্যাল গার্ডেন ও চিড়িয়াখানা পার্কিং চত্বরে গিয়ে শেষ হয়।