২ কার্তিক, ১৪৩৩
১৮ অক্টোবর, ২০২৬

আদিবাসী নারীদের জন্য কৃষিবাস্তুবিদ্যা বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

Admin Published: March 22, 2025, 4:18 pm
আদিবাসী নারীদের জন্য কৃষিবাস্তুবিদ্যা বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

স্টাফ রিপোর্টার: রাজশাহী নগরীর হোটেল ওয়ারিশানে এ্যাসোসিয়েশন ফর কম্যুনিটি ডেভেলপমেন্ট-এসিডি’র আয়োজনে এবং অক্স্রফাম ইন বাংলাদেশ’র সহযোগিতায় ২ দিনব্যাপী আদিবাসী নারী কৃষকদের অংশগ্রহণে কালটিভেটিং চেঞ্জ প্রকল্পের আওতায় “কৃষি বাস্তুবিদ্যা নেতৃত্ব উন্নয়ন প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়। শরিবার সকালে প্রজেক্ট কোঅর্ডিনেটর সুব্রত পালের সঞ্চালনায় সহায়ক হিসেবে কৃষিবিদ মো. মিজানুর রহমান প্রশিক্ষণ পরিচালনা করেন।


আদিবাসী নারী কৃষকদের সংগঠিত করে তাদের ক্ষমতায়ন করা, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় নারীবাদী দৃষ্টিকোণ থেকে উদ্যোগ গ্রহণ এবং স্থানীয় জলবায়ু অভিযোজনের জন্য নারীদের নেতৃত্বে সমাধান তৈরির মাধ্যমে সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করার উদ্দেশ্যে এই প্রশিক্ষণ আয়োজন করা হয়। আদিবাসী নারী কৃষকদের জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে সচেতন করা, স্থানীয় এবং সাংস্কৃতিক উপায়ে নারীদের কৃষি, জলবায়ু প্রতিরোধ এবং টেকসই উন্নয়নে নেতৃত্ব দেওয়ার সুযোগ সৃষ্টি করা, নারীবাদী জলবায়ু নীতি ও সংস্কৃতির মাধ্যমে কৃষির ক্ষেত্রে উদ্ভাবনী ও টেকসই সমাধান তৈরি করার পাশাপাশি নারী কৃষকদের মধ্যে সামাজিক আন্দোলনে কীভাবে ভূমিকা রাখতে পারেন তা নিযে আলোচনা করা হয়। 


তানোরের চান্দুড়িয়া ইউনিয়নের ২০জন আদিবাসী নারী কৃষক এ প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করেন। প্রশিক্ষণের প্রথম দিনে, অংশগ্রহণকারীরা এগ্রোইকোলজি, পরিবেশবান্ধব কৃষি পদ্ধতি, ও মাটির স্বাস্থ্য সংরক্ষণ সম্পর্কিত বিভিন্ন কৌশল সম্পর্কে জানেন। প্রশিক্ষণটি কৃষির টেকসই উন্নয়ন ও নারীদের নেতৃত্ব উন্নয়নের দিকে নজর দিয়েছে। প্রশিক্ষণার্থীরা জানেন কীভাবে রাসায়নিক সার ও কীটনাশক ব্যবহারের বিকল্প পদ্ধতিতে কৃষি উৎপাদন বাড়ানো সম্ভব। 


দ্বিতীয় দিনে, নারী নেতৃত্বের গুরুত্ব, উদ্যোক্তা দক্ষতা, ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা বিষয়ে আলোকপাত করা হয়। বিশেষত, নারীদের অর্থনৈতিক স্বাধীনতা ও কৃষি ক্ষেত্রে উদ্যোক্তা হিসেবে তাদের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা হয়। প্রশিক্ষণ শেষে, অংশগ্রহণকারীদের আত্মবিশ্বাস এবং নেতৃত্বের দক্ষতা বৃদ্ধি পাবে এবং তারা তাদের পরিবারের কৃষি উদ্যোগে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে সক্ষম হবেন। এটি একটি নতুন দৃষ্টিকোণ থেকে নারীদের কৃষিতে অংশগ্রহণ বাড়ানোর এবং তাদের নেতৃত্বের ক্ষমতা বৃদ্ধি করার একটি সফল উদ্যোগ হিসেবে কাজ করবে বলে অংশগ্রহণকারীরা জানান।