স্টাফ রিপোর্টার : কিশোর অপরাধ দমন, মাদক উদ্ধার অভিযান, চাঁদাবাজি ও অবৈধ দখলের বিরুদ্ধে চলমান কার্যক্রম এবং গ্রেপ্তারি পরোয়ানা বাস্তবায়নে গুরুত্বারোপ করেছেন রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান।
বুধবার রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের সদর দফতরের সভাকক্ষে আয়োজিত মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় তিনি পুলিশ সদস্যদের প্রতি ধন্যবাদ জ্ঞাপনও করেন। সভায় সভাপতির দায়িত্বও পালিন করেন কমিশনার মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান।
সভায় মহানগরীর সামগ্রিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। পুলিশ কমিশনার রাকসু নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হওয়ায় আরএমপি’র সকল কর্মকর্তা ও সদস্যসহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের জানিয়ে বলেন, কিশোর অপরাধ দমন, মাদক উদ্ধার অভিযান, চাঁদাবাজি ও অবৈধ দখলের বিরুদ্ধে চলমান কার্যক্রম বাস্তবায়নে আরো সক্রিয় হতে হবে।
সভায় গত সেপ্টেম্বর মাসের অপরাধ পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করা হয় এবং গৃহীত পদক্ষেপগুলোর কার্যকারিতা পর্যালোচনার মাধ্যমে ভবিষ্যতের জন্য বাস্তবসম্মত ও কার্যকর কৌশল নির্ধারণ করা হয়।
সভায় গেল মাসের অপরাধ পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ এবং গৃহীত পদক্ষেপগুলোর কার্যকারিতা মূল্যায়ন শেষে পুলিশ কমিশনার সামগ্রিক কর্মমূল্যায়নে শ্রেষ্ঠ পারফরমেন্সের জন্য পুলিশ পরিদর্শক (নি:) ও শাহমখদুম থানার ওসি মাসুমা মোস্তারী, রাজপাড়া থানার সার্জেন্ট তোফায়েল আহমেদ এবং বোয়ালিয়া থানার এএসআই (নি:) আসাদুজ্জামানকে সম্মাননা স্মারক ও অর্থ পুরস্কার প্রদান করা হয়। এছাড়া আরও ১৩ জন পুলিশ অফিসারকে তাদের কর্মদক্ষতার ভিত্তিতে অর্থ পুরস্কারে ভূষিত করেন পুলিশ কমিশনার।
সভায় অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম) নাজমুল হাসান, উপ-পুলিশ কমিশনার (সদর) ও মোহাম্মদ খোরশেদ আলমসহ আরএমপির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন আইন প্রয়োগকারী সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।